পাবনার
বেড়া উপজেলায় পুলিশ-সন্ত্রাসীদের ত্রিমুখী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিজাম বাহিনীর
প্রধান নিস্তার (৪০) ওরফে নিস্তার নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্যও
আহত হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার
আমিনপুরের ঢালার চরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নিস্তার পাবনা সদর উপজেলার খাসচর
বলরামপুর গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ২টি শাটারগান,
২টি চাপাতি ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। আমিনপুর থানার ওসি তাজুল হুদা
জানান, নিহত নিস্তার চরমপন্থি সর্বহারা দলের আঞ্চলিক নেতা ছিলেন। তার
বিরুদ্ধে ঢালারচরে চাঞ্চল্যকর তিন পুলিশ হত্যাসহ অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে।
তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। সি আরো জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চরমপন্থি দলের জুলহাস গ্রুপ ও নিস্তার গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে দিনগত রাত তিনটার দিকে সেখানে অভিযানে যায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোঁড়ে দুই পক্ষের সন্ত্রাসীরা। এসময় পুলিশও গুলি ছুঁড়লে ত্রিমখী বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে চরমপন্থি সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে নিস্তার ওরফে নিজাম বাহিনীর প্রধান নিস্তারের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ কনস্টেবল বেলাল হোসেন, জয়েন উদ্দিন ও রমজান আলী আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। সি আরো জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চরমপন্থি দলের জুলহাস গ্রুপ ও নিস্তার গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে দিনগত রাত তিনটার দিকে সেখানে অভিযানে যায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোঁড়ে দুই পক্ষের সন্ত্রাসীরা। এসময় পুলিশও গুলি ছুঁড়লে ত্রিমখী বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে চরমপন্থি সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে নিস্তার ওরফে নিজাম বাহিনীর প্রধান নিস্তারের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ কনস্টেবল বেলাল হোসেন, জয়েন উদ্দিন ও রমজান আলী আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment