ম্যাচ
তখন শেষ হওয়ার পথে। বাংলাদেশের দীন হাসান হৃদয়ের একটি পেনাল্টি থ্রো রুখে
দিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করলেন ইরানের গোলরক্ষক। পরে আরেকটি পেনাল্টিতে গোল করেন
হৃদয়। এবার তিনি ইরানি গোলরক্ষকের দিকে বাজে অঙ্গভঙ্গি করেন।
সঙ্গে সঙ্গে
ইরানের কোচ শেখ জাফরি ধাক্কা দেন হৃদয়কে। জাফরি ইরান দলের কোচ কাম খেলোয়াড়।
রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখান। এসময় বাংলাদেশ দলের ভারতীয় কোচ সুনীল ধাগে
উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশ দলের কর্মকর্তারা তাকে নিবৃত্ত করার সময় তিনি
জাফরির গালে চড় মেরে বসেন। রেফারি সুনীলকে লাল কার্ড দেখান। কাল এ নিয়ে
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে। তারই জেরে
ইরানের খেলোয়াড়রা ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতে
চাননি। পরে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ জাফরির কাছে তার আচরণের জন্য
দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান।
এর ফলে উত্তেজনার অবসান হলেও ইরানের খেলোয়াড়রা
বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তারা বলেন, 'একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এ
ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। এটা অন্যায়। তবে আমার এমন আচরণের জন্য আমি ক্ষমা
চাইছি।' বাংলাদেশের আরেক কোচ আশরাফুল আলম মাসুম বলেন, ‘পুরো টুর্নামেন্টেই
আমরা দুর্দান্তভাবে খেলেছি। তবে এই ম্যাচে ছেলেরা একেবারে বাজে খেলেছে।’

No comments:
Post a Comment