মাঝ
আকাশে যাবতীয় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া জেট এয়ারওয়েজের বিমানটি কোনোক্রমে
নিরাপদে অবতরণ করলেও, সেদিনের ঘটনা নিয়ে একে একে সামনে আসছে নানা তথ্য।
জানা গেছে, উড়ান চলাকালীন এক পাইলট ঘুমিয়ে ছিলেন। আর এক পাইলট ভুল
ফ্রিকোয়েন্সিতে চলে গিয়েছিলেন। তার হেডসেটের আওয়াজও খুব আস্তে শোনাচ্ছিল।
সেজন্যই জার্মান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কথা তিনি শুনতে পাননি। অপর এক জেট
এয়ারওয়োজ বিমানের পাইলট সহযোগিতা করায় এটিসি’র সঙ্গে ফের সংযোগ ফিরে পায়
মুম্বাই থেকে লন্ডনগামী বিমানটি। সেদিন অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিল প্রায়
৩৫০ প্রাণ। জেট এয়ারওয়েজের নাইনডব্লিউ ১১৮ বিমানটি বৃহস্পতিবার মুম্বাই
বিমান থেকে যাত্রা শুরু করার পর জার্মানির আকাশে গিয়ে তার এটিসি’র সঙ্গে
সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এর ঠিক আগে আগেই যাচ্ছিল দিল্লি থেকে লন্ডনগামী
জেট এয়ারওয়েজের নাইনডব্লিউ ১২২ বিমানটি। জার্মান এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল
তখন এই বিমানের পাইলটকে আগের বিমানটি বিষয়টি জানায়। সঙ্গে সঙ্গে সেই পাইলট
খবরটি পৌঁছে দেন ভারতে জেট এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষের কাছে। তারা তখন স্যাটেলাইট
ফোনের সাহায্যে ফের সংযোগ স্থাপন করে নাইনডব্লিউ ১১৮ বিমানটির সঙ্গে।
পাশাপাশি জার্মান বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট বিমানটিকে এসকর্ট করে অবতরণ
করায় লন্ডন বিমানবন্দরে। রক্ষা পায় ৩৩০ জন যাত্রী ও ১৫ জন ক্রু-এর প্রাণ।
সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নকালীন নাইনডব্লিউ ১১৮ বিমানের একজন পাইলট
কন্ট্রোলড রেস্ট নিচ্ছিলেন। গোদা বাংলায় বলা যায় ঘুমোচ্ছিলেন। নিয়ন্ত্রণ
সংস্থার অনুমোদন রয়েছে এই কন্ট্রোলড রেস্টে। বলা আছে, একজন পাইলট উড়ান
চালানোর সময় আর একজন একটু বিশ্রাম নিতে পারেন। তবে, দিন ঠিক ওই সময়ই ঘটে
যায় বিপত্তি। আর এক পাইলট ভুল ফ্রিকোয়েন্সিতে চলে যান। তার হেডসেটের
ভলিউমটাও খুব কম ছিল বলে তিনি জার্মান এটিসি’র কথাও শুনতে পাচ্ছিলেন না।
গোটা বিষয়টির তদন্ত চলছে বলে এ বিষয়ে কোনও বিবৃতি দিতে চায়নি ডিরেক্টরেট
জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন।
সূত্র: টাইমস অফ ইনডিয়া
সূত্র: টাইমস অফ ইনডিয়া

No comments:
Post a Comment