আইপিএলে গত বছর ছিলেন রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট দলে। কিন্তু সোমবার দশম আইপিএলের নিলামের পর দেখা যায় দলই পেলেন না ইরফান পাঠান। এক সময়ে জাতীয় দলের অন্যতম ভরসা পাঠানকে নিলামে কোনো দল না কেনায় সরব হন অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তার ভক্তদের রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তবুও মুখ খোলেননি তিনি। অবশেষে ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙল। নিজের ভক্তদের উদ্দেশ্য করে টুইটও করলেন ইরফান। একসময় ভারতের অন্যতম প্রতিশ্রুতিমান খেলোয়াড় ছিলেন ইরফান। শুধু বল হাতে নয়, ব্যাট হাতেও আইপিএল হোক কিংবা দেশের জার্সিতে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আইপিএল অখ্যাত খেলোয়াড়রা জায়গা করে নিলেও কোনো দল ইরফান পাঠানকে কেনেনি। এরপরেই সরব হতে থাকেন তার ভক্তরা। শেষ পর্যন্ত মুখ খুলতে বাধ্য হন তিনি। মঙ্গলবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পাঠান লেখেন, ‘২০১০ সালে আমি গুরুতর চোট পেয়েছিলাম। ফিজিও আমাকে জানিয়েছিল, আর হয়ত আমি ক্রিকেট খেলতে পারব না। ভালো হবে যদি আমি নিজের স্বপ্নকে ভুলে যাই। জবাবে আমি তাকে বলেছিলাম,
আমি সব কষ্ট সহ্য করতে পারব কিন্তু দেশের হয়ে এই সুন্দর খেলাটি না খেলতে পারার কষ্ট সহ্য করতে পারব না।’ এর সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করি। শুধু ক্রিকেট খেলতে পারার জন্য কিন্তু নয়, ফেরস একবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর জন্য। আমি নিজের জীবন ও কেরিয়ারে অনেক ওঠা-নামা দেখেছি, কিন্তু হাল ছাড়িনি। এটাই আমার চরিত্র। আর চিরকাল আমি এরকমই থাকব। বর্তমানে আমি কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছি।কিন্তু আমি জানি আপনাদের আশীর্বাদ ও প্রার্থনা আমাকে এই কঠিন বাধা টপকাতে সাহায্য করবে। যারা আমাকে সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের জন্যই এই পোস্টটি।’ কয়েকদিন আগেও মুস্তাক আলিতে বেশ ভালো ফর্মে ছিলেন ইরফান। পাঁচ ম্যাচে ৬.২৮ ইকোনমি রেটে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। তবুও আইপিএলে কোনো দল তাকে না নেয়ায় অনেকেই আশ্চর্য হন। উল্লেখ্য, ইরফানের বড় ভাই ইউসুফ পাঠান কলকাতা নাইট রাইডার্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
No comments:
Post a Comment