Tuesday, February 14, 2017

মহেশখালীতে পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে নিহত-১, গ্রেপ্তার-৩, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার ।

স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরীঃ
কক্সবাজার জেলার ক্রাইমজোন খ্যাত দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে পুলিশ ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত নিহত ও ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার হয়েছে। এ সময় পৃথক পৃথক ঘটনায় পুলিশ অফিসার সহ ১১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এ সময় ১৪টি বন্দু ও ৫৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশের কাছে সংবাদ ছিল উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী পাহাড়ী এলাকায় একদল ডাকাত অস্ত্র মওজুদ করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছে । গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  গত ১৪ ফেব্ররূযারী ভোর ৪ টার দিকে উল্লেখিত পাহাড়ী এলাকয় মহেশখালী থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসী ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে, আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ ও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে একজন তালিকা ভূক্ত ডাকাত নিহত হয় । সে হোয়ানক ইউনিয়নে পূর্ব বড়ছড়া মাইজপাড়া গ্রামের মৃত নুরুচ্ছফার পুত্র আবদু চত্তার (৩৫)বলে জানা গেছে। এ সময় তার নিয়ন্ত্রনে থাকা ১ একটি বন্দুক ও সাথে থাকা সন্ত্রাসীদের আস্তানা থেকে আরো ৫টি বন্দুক ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে । এ সময় ডাকাতদের হামলায় পুলিশের এসআই মনিরুল ইসলাম, এস আই হারুন রশিদ, এস আই শাহেদ ,এএস আই আজিম উদিন, কনেস্টবল সনজয় মজুমদার, রুবেলা দাশ ও  ফিরোজ আহত হয়। অপর দিকে একই রাত ৩ টার দিকে উপজেলা মাতার বাড়ী ইউনিয়নে মইন্যার ঘোনা নামক স্থানে একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাতার বাড়ী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই শাওন দাশের নেতৃত্বে একদল পুিলশ মঈন্যার ঘোনা এলাকায় হানাদেয় , ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ডাকাতদের আত্ম-সমর্úন করতে বললে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছুড়ে পুলিশ ও তাদেরকে পাল্টা গুলি ছুড়লে ৩ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশের হাতে আটক হলেও বেশ কয়েকজন ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া বা মজুদ থাকা ৮টি লম্বা বন্দুক ও ৩০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশের এস আই শাওন দাশ, এএসআই সুজন মাহামুদ, এ এস আই জাহাঙ্গী, কনেস্টেবল নাজমুল হানান আহত হয়। গুলবিদ্ধ ডাকাতরা হলেন মাতার বাড়ী মাইজ পাড়া গ্রামের মকছুদ মিয়ার পুত্র ওয়াজ উদ্দিন, আবু ছৈয়দের পুত্র নাছির উদ্দিন, ও নাজু ডাকাত।
এদিকে এই ঘটনার পর কক্সবাজারর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন মহেশখালী থানা ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি মহেশখালী থানার সামনে এক প্রেস ব্রিফিং করেন। তিনি ঘটনার উল্লেখিত বিবরণ দেন। মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান মহেশখালীতে সন্ত্রাসী ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, চলবে। এবং মহেশখালীকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করা হবে। এ সময় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

No comments:

Post a Comment