বিএনপির
সাবেক কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মফিকুল ইসলাম তৃপ্তির দলে ফেরার গুনজনে
তৃণমূলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন তিনি দলে ফিরলে
অভ্যন্তরে বিভাজনের সৃষ্টি হবে। দল সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভেঙে
পড়বে দলীয় শৃঙ্খলা। এজন্য ১/১১ সময় দল ও চেয়ারপ্যারসন খালেদা জিয়ার
পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া তৃপ্তিকে দলে ফেরানোর ব্যাপারে আরো সতর্ক
পদক্ষেপ দিতে শীর্ষ নেতাদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা। আজ বুধবার
প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর বিএনপির ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলন
আয়োজন করা হয়। সংবাদ সস্মেলনে নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, বিএনপির এক সময়ের
প্রভাবশালী নেতা তৃপ্তি ১/১১ সরকারের সময় বিএনপি দূরদিনে নিজের অবস্থান
পরিবর্তন করেন। অবস্থান নেন দল ও দলীয় প্রধান খালেদার জিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি
খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিকেই বিরুপ্ত ঘোষণা
করেন। এছাড়া তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকারের আস্থা অর্জন করতে তরুণ নেতা
তারেক রহমানকে কলুসিত করেন। তার সহযোগিতায় তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান
কোকোকে নির্মন নির্যাতন চালানো হয়। এসব অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা
হয়।
সেই থেকে শার্শা বিএনপির তৃণমূলের সাথে তৃপ্তির কোন যোগাযোগ নেই। তবে
মাঝে মধ্যে আওয়ামী লীগের সাথে ব্যবসা করা কিছু ‘অতিথি নেতা’র সাহায্যে
শার্শা বিএনপিতে তিনি বিভাজন সৃষ্টির তৎপরতা চালান। কিন্তু গত ৯ বছর তিনি
দলীয় কোন কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এমনকি যারা বর্তমান সরকারের
মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে চরম নির্যাতনের মধ্যে আছেন তাদেরও কোন খোজ খবর
নেননি। কিন্তু সম্প্রতি তিনি আবারও ভিভাজন তৎপরতা শুরু করেছেন। এখন যদি
তিনি আবার দলে ফিরে আসেন আরো বিভাজন আরো বাড়বে। এজন্য তার বহিস্কারাদেশ
প্রত্যাহার না করার জন্য আমরা কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুজ্জামান
মধু, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান জহির, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান
মিলন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিমউদ্দিনসহ উপজেলার ১১ ইউনিয়নের
নেতৃবৃন্দ।

No comments:
Post a Comment