দক্ষিণ
কোরিয়ায় একটি বিতর্কিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন শুরু
করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। টার্মিনাল হাই
অ্যালটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স সিস্টেম (থাড) স্থাপন করা হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে। আন্তর্জাতিক অবরোধ
লঙ্ঘন করে উত্তর কোরিয়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরই এই সিদ্ধান্তের
কথা জানানো হলো। কিন্তু এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ
ঐ অঞ্চলের অনেককেই ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। চীন মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
জানিয়েছে, কারণ তারা এটাকে দেখছে এশিয় অঞ্চলে জোরপূর্বক যুক্তরাষ্ট্রের
সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি অংশ হিসেবে।
এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ার অনেকেই
বিশ্বাস করেন, এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই উত্তর কোরিয়ার টার্গেটে পরিণত হবে
এবং সামরিক এলাকাগুলোর আশেপাশে থাকা মানুষদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় গত
শুক্রবারই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। বার্ষিক এই
মহড়াকে উত্তর কোরিয়া দখলের একটি প্রস্তুতি হিসেবে দেখে দেশটি। সোমবার চীন
সীমান্তের কাছে টংচাং-রি এলাকা থেকে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে উত্তর
কোরিয়া। ঠিক কী ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয়, তবে তিনটি
ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ১০০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে জাপানের সমুদ্রসীমার
অভ্যন্তরে গিয়ে পড়ে।
টার্মিনাল হাই অ্যালটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স সিস্টেম (থাড) কী?
• ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকা অবস্থায়ই সেটিকে ভূপাতিত করতে পারে।
• গতির শক্তি ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়।
• ২০০ কিলোমিটার দূরত্বে এবং ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় কাজ করতে পারে।
• যুক্তরাষ্ট্র এর আগে গুয়াম এবং হাওয়াইতে থাড স্থাপন করেছে। সেটিও উত্তর কোরিয়া থেকে হামলার সম্ভাবনার কারণেই।
সূত্র: বিবিসি
টার্মিনাল হাই অ্যালটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স সিস্টেম (থাড) কী?
• ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকা অবস্থায়ই সেটিকে ভূপাতিত করতে পারে।
• গতির শক্তি ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়।
• ২০০ কিলোমিটার দূরত্বে এবং ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় কাজ করতে পারে।
• যুক্তরাষ্ট্র এর আগে গুয়াম এবং হাওয়াইতে থাড স্থাপন করেছে। সেটিও উত্তর কোরিয়া থেকে হামলার সম্ভাবনার কারণেই।
সূত্র: বিবিসি

No comments:
Post a Comment