Wednesday, March 1, 2017

সন্দেহভাজন খুনিদের নাম বললেন বাবুল

মিতু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন খুনিদের নাম বলেছেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার। সোমবার ঢাকায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তিনি সন্দেহভাজন খুনিদের নাম বলেন। মঙ্গলবার বাবুল আক্তার যুগান্তরের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তদন্ত কর্মকর্তা এবং সাবেক পুলিশ সুপার কেউ নামগুলো প্রকাশ করেননি। তদন্তের স্বার্থে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বল্প সময়ের মধ্যে আবারও ডাকা হতে পারে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকায় গিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। বাবুল আক্তার তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। কাদের নাম বলেছেন বা কী কী তথ্য দিয়েছেন, তা তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে প্রকাশ করা যাবে না। তিনি বলেন, শিগগিরই এ মামলার চার্জশিট দেয়া হবে। চার্জশিটে কাদের নাম থাকছে, তা বলা ঠিক হবে না। এ প্রসঙ্গে বাবুল আক্তার বলেন, ‘যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে আমার সন্দেহ হয়েছে, আমি তাদের সবার নাম তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে মিডিয়াকে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। সময় এলে সবই মিডিয়ার কাছে তুলে ধরা হবে।’ এদিকে বাবুল আক্তারের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, মামলার অগ্রগতি নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে বাবুল আক্তারের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। বাবুল আক্তারকে তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে। শিগগিরই চার্জশিট দেয়া হবে। চার্জশিট দেয়ার আগে বাবুল আক্তারের শ্যালিকা শায়লা মোশাররফের বক্তব্য নেয়া জরুরি ছিল। রোববার বাবুলের শ্যালিকা ও শ্বশুর-শাশুড়ির বক্তব্য নেয়ায় তদন্ত কাজ শেষপর্যায়ে চলে এসেছে। ঢাকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো যাচাই শেষেই চার্জশিট দেয়া হবে। চার্জশিটে পলাতক বাবুলের সাবেক সোর্স মুসা, কালু এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া ওয়াসিম ও আনোয়ারসহ কয়েকজনের নাম থাকতে পারে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম ব্যুরো জানিয়েছে, তদন্ত শেষে মঙ্গলবার ভোরেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ফেরেন মামলার আইও সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. কামরুজ্জামান। বিকালে নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বাবুল আক্তারের শ্বশুর-শাশুড়িকে আগেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এবার তার শ্যালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি অনেক কথাই বলেছেন। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না। শ্যালিকার জবানবন্দির বিষয়ে ক্রস চেক করতে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বল্প সময়ের মধ্যে আবারও ডাকবেন বলে জানান। চট্টগ্রামে ফিরেই তিনি সর্বশেষ অগ্রগতি ও জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কথা বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এ দফায় তিনি বাবুল আক্তারের বোন লাবণীর সঙ্গেও কথা বলেছেন। আইও দু’দিন ঢাকায় অবস্থান করে বাবুল আক্তারের শ্বশুর-শাশুড়ি ও শ্যালিকার সঙ্গে কথা বলেছেন। জানতে চেয়েছেন বাবুল আক্তারের সঙ্গে মিতুর সর্বশেষ কী ধরনের সম্পর্ক ছিল।
তাদের দাম্পত্য কলহ ছিল কিনা। থাকলে সেগুলো কী নিয়ে। পরকীয়া না অন্য কিছু। শ্যালিকা শায়লা নাজনিন মামলার আইও’কে এ বিষয়ে চার পৃষ্ঠার বক্তব্য দিয়েছেন। চার পৃষ্ঠার বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ কী ছিল, হত্যাকাণ্ডের ক্লু উদ্ঘাটন বা নির্দেশদাতা চিহ্নিত করতে সহায়ক- এমন কিছু আছে কিনা, সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে তিনি বলেছেন, হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেয়া মুসা সিকদারসহ পলাতক কয়েকজন আসামিকে তিনি খুঁজছেন। তাদের পাওয়া গেলে হত্যার নির্দেশদাতা এবং মোটিভ সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়া যাবে। দাম্পত্য কলহই মিতু হত্যার নেপথ্য কারণ কিনা কিংবা এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মামলার আইও বলেন, প্রায় সব পরিবারেই দাম্পত্য কলহ থাকতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে কতটুকু ছিল, তার মেরিট কতটুকু, তাও বিবেচ্য বিষয়। পত্রপত্রিকায় যেসব সংবাদ আসছে, এসব পয়েন্টেও তিনি তদন্ত করছেন। বাবুল আক্তারকে পুলিশ সন্দেহের তালিকায় রাখছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আইও বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করার সময় হয়নি। আইন আইনের গতিতে চলছে। তদন্ত চলাকালে যেসব বিষয় সামনে আসছে তার সব বিষয় নিয়েই তিনি তদন্ত করছেন। প্রত্যেকটি অভিযোগের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এদিকে মিতুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, বাবুল আক্তারের বাসার গৃহকর্মী ও বডিগার্ডকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তদন্তে অনেক অগ্রগতি হতো। কিন্তু আট মাসেও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে আইও বলেন, ধাপে ধাপে সবাইকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বাদী বাবুল আক্তার একজন চৌকস পুলিশ অফিসার ছিলেন। অনেক হত্যা মামলার তদন্ত করেছেন। ক্লু উদ্ঘাটন করেছেন।
কিন্তু নিজের স্ত্রী হত্যার ক্লু উদ্ঘাটনে বা রহস্য ভেদে বাবুল আক্তার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন কিনা- আইও’র কাছে তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রীকে কার নির্দেশে খুন করা হল, তিনি কাউকে সন্দেহ করছেন- এমন কিছু আইওকে বলেছেন কিনা, তাও জানতে চাওয়া হয়। মামলার আইও বলেন, মামলার তদন্তে বিভিন্ন সময়ে বাদী হিসেবে বাবুল আক্তারের সঙ্গে কথা হচ্ছে। কিন্তু এখনও এ হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে যেমন কোনো ধারণা দেননি। কাউকে সন্দেহ করছেন- এমন ইঙ্গিত দেননি বাবুল আক্তার। মামলার অগ্রগতি কত শতাংশ হয়েছে, কবে নাগাদ এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা যাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে কামরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছুই বলা যাবে না। এর আগে ২৬ জানুয়ারি বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন ও শাশুড়ি শাহেদা মোশাররফকে, ৮ জানুয়ারি বাবুল আক্তারের খালাতো ভাই মফিজ, ২২ জানুয়ারি সফিউদ্দিন নামে বাবুল আক্তারের অপর খালাতো ভাই, ১ জানুয়ারি বাবুল আক্তারের মা-বাবা, ২২ ডিসেম্বর শ্বশুর মোশাররফ হোসেন ও ১৫ ডিসেম্বর বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন মামলা তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় বাবুল আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ‘অনেকে অভিযোগ করছেন যে, আমি তার স্ত্রী হত্যার বিচার চাই না। কিন্তু প্রকৃত অর্থে আমি চাই, মিতু হত্যার সঠিক বিচার হোক। যারা আমাকে দোষারূপ করছে তাদের বুঝতে হবে যে, তদন্ত চলমান। এখনই কারও ফাঁসি চাইলেই সঠিক বিচার চাওয়া হবে না। ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামে মিতু খুন হওয়ার কয়েকদিন পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা আমাকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা কোথায় রেখেছিল বা তখন কার সঙ্গে কী কথা হয়েছে, এসব বিষয়ে এখনও বলার সময় আসেনি। চাকরি চলে যাওয়া বা ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি মীমাংসিত। তাই এ নিয়েও কিছু বলা যাবে না। পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সবই বলব।’ বাবুল আক্তার বলেন, ‘শ্বশুরবাড়ির কারও প্রতি আমার অভিযোগ নেই। ছয় মাস ওই বাড়িতে অবস্থান করার সময় যে বিরূপ পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলাম তা-ই কেবল ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছি।’ এক প্রশ্নের জবাবে বাবুল আক্তার জানান, মিতু হত্যার বাদী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সব সময় তার যোগাযোগ ছিল। এখনও আছে।
তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পরও তার সঙ্গে কথা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তার (বাবুল) কাছে যেসব তথ্য চেয়েছেন সবই তিনি সরবরাহ করেছেন। তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করছেন কি করছেন না, তা কেবল তদন্ত কর্মকর্তাই বলতে পারবেন। বাইরে থেকে কেউ এ নিয়ে মন্তব্য করলে যথার্থ হবে না। মামলার বাদী হিসেবে ৯ মাসের তদন্তে আপনি সন্তুষ্ট কিনা জানতে চাইলে বাবুল আক্তার বলেন, ‘তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট কিছুই বলা ঠিক হবে না। কারণ অনেক ক্লুলেস মামলায় দেখা যায়, ছয় মাসের তদন্তে কিছু পাওয়া যাচ্ছে না। আবার দুইদিনেও অনেক কিছু পাওয়া সম্ভব। এদিকে মঙ্গলবার বনশ্রী মেরাদিয়ার বাসায় বসে বাবুলের শাশুড়ি শাহেদা মোশাররফ যুগান্তরকে বলেন, ‘২০০২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মিতুর সঙ্গে বিয়ে হয় বাবুল আক্তারের। তখন এখানে ছিল টিনের বস্তিঘর। বিয়ের পর এখানে দোতলা ফাউন্ডেশন করা হয়। প্রথম তলা তৈরির পর ওই বছরের এপ্রিলে বাবুল আক্তার মিতুকে নিয়ে এ বাসায় উঠেন। এর ছয় মাস পর দ্বিতীয় তলার কাজ শেষ হলে আমার ছোট বোন লিপি এ বাসায় উঠে। তখন আমরা খুলনায় থাকতাম। ওই সময় চারপাশে ছিল দুর্গন্ধ, ময়লা-আবর্জনা আর মলমূত্র। ময়লা পানি মারিয়ে বাবুল আক্তার এ বাসায় থেকেছে। তখন তার ছোট বোন লাবণীর বিয়ে পাকাপাকি হয় এ বাসা থেকেই। চারপাশের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্য থেকেই সে ২০০৫ সালে বিসিএস অফিসার হয়। তখন সে বাসার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। এখন পরিবেশ অনেক ভালো হওয়ার পরও কেন বাসার পরিবেশ নিয়ে কথা বলছে?’ শাহেদা মোশাররফ বলেন, ‘ বাবুলের ছেলে মাহির আমাদের সঙ্গে এ বাসাতেই থাকতে চেয়েছিল। এখান থেকে যেতে চেয়েছিল বলে কখনও শুনিনি। এ বাসার ওপরে ফ্লোর করার জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেছি বলে বাবুল যে তথ্য দিয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। কারণ এ ভবনটির ফাউন্ডেশনই দ্বিতীয় তলাবিশিষ্ট। এর ওপর ফ্লোর বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। পাশে যে টিনশেট ঘর আছে, সেটি ভেঙে একটি তিনতলা বাড়ি বানানোর পরিকল্পনা করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় আমার নাতি আক্তার মাহমুদ মাহির (৮) ও নাতনি তাবাচ্ছুম তানজীন টাপুর (৫) থাকবে। নিচ তলায় ভাড়া দিয়ে তারা হাতখরচ চালাবে। এটা করতে চেয়েছিলাম শুধু নাতি-নাতনির প্রতি ভালোবাসা থেকেই। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অন্যতম কর্ণধার ডা. মহিউদ্দিনের সামনে বসেই এ পরিকল্পনা হয়। এখানে টাকা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। ভবিষ্যতে যখনই নাতি-নাতনিরা আমাদের কাছে থাকতে চাইবে, তখনই তাদের এ সুযোগ দেব।’ এক প্রশ্নের জবাবে শাহেদা মোশাররফ বলেন, ‘মিতু নিহত হওয়ার পর বাবুলের মা-বাবা জানাজায় আসেননি। একদিন পর যখন আমাদের বাসায় আসেন তখন রাগ করে বলেছি- এখন কী দেখতে এসেছেন? তাদের কখনও এ বাসায় আসতে নিষেধ করা হয়নি। যদি নিষেধই করতাম তাহলে মিতু হত্যার পর তারা ছয় মাস কীভাবে এ বাসায় থাকল? আমরা কখনও বাবুলকে তার শ্বশুর-শাশুড়ি অথবা মা-বাবা ছাড়তে বলেনি।
বাবুলের বয়স ৫০। আর সুমাইয়ার বয়স ১৬। বয়সের এত ব্যবধান জানার পরও আমরা কীভাবে দুইজনের বিয়ের প্রস্তাব দেব, তা যে কেউই বুঝতে পারবে।’ বাবুলের ফেসবুক স্ট্যাটাসের অপর এক বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মিতু তার বাচ্চাদের আদর করে সুমাইয়াকে ‘ছোট মা’ ডাকতে বলত। অনেক আগে থেকেই সুমাইয়াকে তারা ‘ছোট মা’ বলে ডাকে। বাবুল আক্তার আগে কেন এর প্রতিবাদ করল না। শুধু সুমাইয়া একা নয়- আমি, আমার স্বামী, মিতুর খালা, আমার ছোট মেয়ে নিনজা, ছোট মেয়ের জামাই ডা. সাইদুর রহমান এবং কাজের মেয়ে বিউটি ও ফাতেমা সব সময় বাবুল ও তার সন্তানদের দেখাশোনা করতাম। এখন সে বলছে, সুমাইয়াই সব সময় তাদের তদারকি করত। আমার প্রশ্ন, সুমাইয়া যদি সব সময় তাদের তদারকি করত তাহলে সে স্কুল-কলেজে যেত কখন? পড়ালেখা করত কখন? কীভাবে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল?’ শাহেদা মোশাররফ জানান, তারা ইচ্ছা করে কখনও মাহির বা টাপুরের মনে দুঃখ দেননি। বাসায় বসে প্রায়ই মিতুর জন্য তারা কান্নাকাটি করেছেন। মাহির-টাপুর হয়তো তা দেখে কষ্ট পেয়েছে, তা অস্বীকার করা যাবে না।

No comments:

Post a Comment