স্পোর্তিং
গিহনের জালে গোল উৎসব করে বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছেন লুইস এনরিকের
শিষ্যরা। আর স্বাভাবিকভাবেই এই জয়ের নায়ক ছিলেন লিওনেল মেসি। গোল পেয়েছেন
লুইস সুয়ারেস এবং নেইমারও। বুধবার লা লিগায় ক্যাম্প ন্যু'র ম্যাচটি ৬-১
ব্যবধানে জিতেছে বার্সেলোনা। প্রথম পর্বে স্পোর্তিংকে তাদের মাঠে ৫-০ গোলের
ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা। ম্যাচে এমএসএন ত্রয়ী ছাড়া বার্সেলোনার অন্য দুই
গোলদাতা পাকো আলকাসের ও ইভান রাকিতিচ, আরেকটি আত্মঘাতী। ম্যাচের শুরুতেই
দুই মিনিটের ব্যবধানে দুবার স্পোর্তিং-এর জালে বল পাঠিয়ে গোল উৎসবের শুরু
করেন মেসিরা। নবম মিনিটে অনেকটা আচমকাই এগিয়ে যায় তারা। চোট কাটিয়ে ফেরা
হাভিয়ের মাসচেরানোর উঁচু করে বাড়ানো বল হেড করে জালে জড়ান মেসি। ব্যবধান
দ্বিগুণ করা গোলটি আত্মঘাতী হলেও তাতে দারুণ ভূমিকা ছিল নেইমার ও
সুয়ারেসের।
বার্সেলোনার রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগে ২১তম মিনিটে ব্যবধান
কমায় স্পোর্তিং। চাভি তরেসের পাস ধরে ডি বক্সে ঢুকে আলভারেসের নেয়া শট লাগে
পোস্টে। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ফরোয়ার্ড কার্লোস কাস্ত্রো।
২৭তম মিনিটে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোলরক্ষক কোয়েয়ারকে পরাস্ত করে স্কোরলাইন
৩-১ করেন সুয়ারেস। ম্যাচের পর ২১ গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে পাঁচবারের
বর্ষসেরা মেসি। আর সুয়ারেসের গোল ১৯টি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরতে ব্যবধান আরও
বাড়িয়ে জয়টাও নিশ্চিত করে ফেলেন পাকো আলকাসের। ডান দিক থেকে মেসির পাস ধরে
সোজাসুজি উঁচু শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন সুয়ারেসের বদলি স্পেনের এই
ফরোয়ার্ড। ৬৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান নেইমার। ডান দিক থেকে
অসাধারণ বাঁকানো ফ্রি-কিকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। নির্ধারিত সময় শেষের তিন
মিনিট আগে স্পোর্তিংয়ের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন ইভান রাকিতিচ। দুরূহ কোণ
থেকে বুলেট শটে বল জালে জড়ান ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার। এই জয়ে আপাতত
শীর্ষে ওঠা বার্সেলোনার পয়েন্ট ২৫ ম্যাচে ৫৭।

No comments:
Post a Comment