Tuesday, March 7, 2017

কৃষক দলের সম্মেলন স্থগিত

বিএনপির হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় তিন দফা উদ্যোগের পর সম্মেলনের তারিখ স্থগিত করেছে কৃষকদল। আগামী ১১ মার্চ সংগঠনটির সম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। সোমবার সংগঠনের পক্ষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কৃষক দলের জাতীয় সম্মেলন আগামী ১১ মার্চ  শনিবার সকাল ১০টায়  ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে উক্ত জাতীয় সম্মেলন অনিবার্য কারণবশতঃ অনুষ্ঠিত হবে না। জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের পরবর্তী তারিখ সংশ্লিষ্টদের যথাসময়ে জানানো হবে।’ এরআগে ১৯ ও ২৭  ফেব্রুয়ারি সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেছিল কৃষকদল। সূত্র জানায়, বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশেই সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। সম্মেলন স্থগিত হলেও নতুন কমিটি গঠনের কাজ পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
আরও জানা যায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু কৃষক দলের সভাপতি হতে আগ্রহী। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক। তবে এক নেতার এক পদ নীতির কারণে তাকে যেকোন একটিই বেছে নিতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে হাইকমান্ড কৃষক দলের পরিবর্তে দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বে রাখতে চান। কিন্ত দুদু চাচ্ছেন কৃষকদলের সভাপতি হতে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদলকে ঢেলে সাজাতে কয়েক নেতাকে দায়িত্ব দেন খালেদা জিয়া। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য একটি তালিকা করতেও নির্দেশ দেন। চেয়ারপারসনের নির্দেশমতে তারা কাজ করছেন। তৈরি করছেন সম্ভাব্য তালিকা। ওই তালিকায় রয়েছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, আবুল খায়ের ভূইয়া, আতাউর রহমান ঢালী, হাবিুবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ফারুক, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, কৃষকদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন জসীম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ। সম্প্রতি বাহার দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কৃষকদলে থাকার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

No comments:

Post a Comment