
অস্ট্রিয়া
সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির চ্যান্সেলর ক্রিস্টিয়ান কার্নের
সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। ভিয়েনায় আইএইএ শীর্ষ সম্মেলনের পর মঙ্গলবার
মধ্যাহ্নে ওই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী
অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলরকে বাংলাদেশের সফরের আমন্ত্রণ জানান। বলেন,
বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কাছাকাছি চলে এসেছে। আশা করি
নির্বাচনের আগেই চ্যান্সেলর বাংলাদেশ সফর করবেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের পুরনো বন্ধু অস্ট্রিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা
জোরদারে আজ আমরা কৃষি, প্রাণিসম্পদ, সংযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বেশকিছু
গুরুত্বপূর্ণ খাত যৌথভাবে চিহ্নিত করেছি। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের
মতো বৈশ্বিক বিষয়েও আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের
বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো সরকার প্রধান অস্ট্রিয়ায় দ্বিপক্ষীয় সফর
করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হয়েছে
জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ভিয়েনায় দূতাবাস খুলেছি। আমি দৃঢ়ভাবে
বিশ্বাস করি, আমার এই সফরে সম্পর্ক জোরদারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বৈশ্বিক
সঙ্কট অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিকভাবে এই সমস্যার
সমাধান করা যাবে না, আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে পথ খুঁজতে হবে। সংবাদ
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে অস্ট্রিয়ার ব্যবসায়ীদের
বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে চ্যান্সেলরের প্রতি আহ্বান জানান। উল্লেখ্য ভিয়েনা
সফরকালে অস্ট্রিয়ার ফেডারেল প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভ্যান ডের ব্যালেনের
সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায়
ভিয়েনা থকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী বুধবার দেশে পৌছাবেন।
No comments:
Post a Comment