
ঘূর্ণিঝড়
মোরার কারণে হঠাৎ সতর্কতা সংকেত বাড়লেও গভীর সমুদ্রে থাকা জেলেদের সে খবর
জানাতে পারেননি বরগুনা পাথরঘাটার ট্রলার মালিকরা। এ কারণে শতাধিক ট্রলারে
অবস্থানরত জেলেদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে। বাবা, স্বামী ভাই ফিরে আসার
অপেক্ষায় রাতভর প্রহর গুণলেও এখনো ফিরে আসেননি অনেক জেলেই। তবে মৎস্য
সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী বিপদের সম্মুখীন হতে হয়নি তাদের।
পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা, হরিনঘাটা, রুহিতা, বাদুরতলা, কালমেঘা ও কাকচিড়া এলাকার শতাধিক জেলে পরিবার রাত কাটিয়েছে উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, উপকূলের কাছাকাছি থেকে যেসব জেলেরা মাছ ধরছিল তারা অনেকেই ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছেছেন। আবার বিশখালী ও বলেশ্বর নদীতে ঘূর্ণিঝড় মোরার তেমন প্রভাব পড়ে না। কোন ট্রলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পাথরঘাটার যে সকল জেলারা গবীর সমুদ্রে ছিল তারা সুন্দরবন,আলোর কোল, দুর্বলা, কচিখালী, কটকা এসব এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে এসেছে। মোরা’র প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় তারা বাড়িতে ফিরতে পারেনি।
ট্রলার মালিক আবুল হোসেন ফরাজি বলেন, সাগরে এখনও শতাধিক ট্রলার রয়েছে কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সকল ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে আছে বলে আমার ধারণা।
পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা, হরিনঘাটা, রুহিতা, বাদুরতলা, কালমেঘা ও কাকচিড়া এলাকার শতাধিক জেলে পরিবার রাত কাটিয়েছে উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে।
বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, উপকূলের কাছাকাছি থেকে যেসব জেলেরা মাছ ধরছিল তারা অনেকেই ইতোমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছেছেন। আবার বিশখালী ও বলেশ্বর নদীতে ঘূর্ণিঝড় মোরার তেমন প্রভাব পড়ে না। কোন ট্রলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পাথরঘাটার যে সকল জেলারা গবীর সমুদ্রে ছিল তারা সুন্দরবন,আলোর কোল, দুর্বলা, কচিখালী, কটকা এসব এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে এসেছে। মোরা’র প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় তারা বাড়িতে ফিরতে পারেনি।
ট্রলার মালিক আবুল হোসেন ফরাজি বলেন, সাগরে এখনও শতাধিক ট্রলার রয়েছে কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সকল ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে আছে বলে আমার ধারণা।
No comments:
Post a Comment