
মিয়ানমারের
বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গনের কাছে স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে মারপিটের পর
সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ দুইজন বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদীকে
গ্রেফতার করেছে। এছাড়া আরো বেশ কয়েকজনকে খুঁজছে পুলিশ।
বেশ কিছু বৌদ্ধ ‘অবৈধ’ রোহিঙ্গা মুসলিমদের খোঁজে মিঙ্গালার তং নিয়ুন্ত এলাকায় চড়াও হয়।
মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা ক্রমশই সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি বৈরি হয়ে ওঠার পটভূমিতে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার সকালের দিকে একদল বৌদ্ধ ভিক্ষুর নেতৃত্বে কিছু জাতীয়তাবাদী ব্যক্তি ইয়াঙ্গনের ওই এলাকায় হাজির হয়ে দাবি করে সেখানে মুসলমান রোহিঙ্গারা ‘অবৈধভাবে’ বসবাস করছে। সেখানে মারামারি শুরু হয়ে গেলে, পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে হুঁশিয়ারি দিয়ে গুলি ছোঁড়ে।
সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অপরাধে মিয়ানমারে দুবছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান আছে।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে কট্টরপন্থীরা ইয়াঙ্গনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে, মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান করতে বাধা দিয়েছে এবং খুবই সম্প্রতি দুটি স্কুলকে সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য করেছে এই অভিযোগ তুলে যে, তারা অবৈধভাবে ওই স্কুল দুটিকে মসজিদ হিসাবেও ব্যবহার করছিল।
মিয়ানমারে আনুমানিক দশ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান আছেন। মিয়ানমার সরকার তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখে। মিয়ানমারের বেশিরভাগ মানুষেরও এটাই ধারণা। মিয়ানমার তাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের জীবনযাত্রার উপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
বেশ কিছু বৌদ্ধ ‘অবৈধ’ রোহিঙ্গা মুসলিমদের খোঁজে মিঙ্গালার তং নিয়ুন্ত এলাকায় চড়াও হয়।
মিয়ানমারের সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা ক্রমশই সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি বৈরি হয়ে ওঠার পটভূমিতে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুধবার সকালের দিকে একদল বৌদ্ধ ভিক্ষুর নেতৃত্বে কিছু জাতীয়তাবাদী ব্যক্তি ইয়াঙ্গনের ওই এলাকায় হাজির হয়ে দাবি করে সেখানে মুসলমান রোহিঙ্গারা ‘অবৈধভাবে’ বসবাস করছে। সেখানে মারামারি শুরু হয়ে গেলে, পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে হুঁশিয়ারি দিয়ে গুলি ছোঁড়ে।
সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার অপরাধে মিয়ানমারে দুবছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান আছে।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে কট্টরপন্থীরা ইয়াঙ্গনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে, মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান করতে বাধা দিয়েছে এবং খুবই সম্প্রতি দুটি স্কুলকে সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য করেছে এই অভিযোগ তুলে যে, তারা অবৈধভাবে ওই স্কুল দুটিকে মসজিদ হিসাবেও ব্যবহার করছিল।
মিয়ানমারে আনুমানিক দশ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান আছেন। মিয়ানমার সরকার তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখে। মিয়ানমারের বেশিরভাগ মানুষেরও এটাই ধারণা। মিয়ানমার তাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের জীবনযাত্রার উপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
No comments:
Post a Comment