
বঙ্গবন্ধু
আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে জাতীয়
চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি
গতকাল বিকালে ২৫ ক্যাটাগরিতে ৩১ জন শিল্পী ও কলাকুশলীর মধ্যে এ পুরস্কার
বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এতে
বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির
চেয়ারম্যান এ কে এম রহমত উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব মর্তুজা
আহমেদ। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, পদস্থ সরকারি
কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে
আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হয়েছে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আফরোজা সুলতানা
রত্না (শাবানা) এবং সংগীত শিল্পী ফেরদৌসী রহমানকে। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ
চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে রিয়াজুল মাওলা রিজু পরিচালিত ‘বাপজানের
বায়োস্কোপ’ ও মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’। শ্রেষ্ঠ
প্রামাণ্য চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের
‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার
পেয়েছেন মো. রিয়াজুল মাওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ) এবং মোরশেদুল ইসলাম
(অনিল বাগচীর একদিন)। প্রধান চরিত্রে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
পেয়েছেন সাকিব খান (আরো ভালোবাসবো তোমায়) এবং মাহফুজ আহমেদ (অনিল বাগচীর
একদিন)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জয়া আহসান (জিরো ডিগ্রি)।
পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন গাজী রাকায়েত (অনিল
বাগচীর একদিন)। একই চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তমা
মির্জা। খলনায়ক চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ইরেশ যাকের
(ছুঁয়ে দিলো মন)। শ্রেষ্ঠ শিশু অভিনেতা যারা যারিব ও শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী
হিসেবে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে প্রমিয়া রহমান (প্রার্থনা)। এছাড়া আরো
পুরস্কার পেয়েছেন- শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সানী জুবায়ের (অনিল বাগচীর
একদিন), শ্রেষ্ঠ গায়ক শিল্পী সুবীর নন্দী (মহুয়া সুন্দরী) ও এস আই টুটুল
(বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা (মহিলা) প্রিয়াংকা গোপ (অনিল বাগচীর
একদিন), শ্রেষ্ঠ গীতিকার আমিরুল ইসলাম (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ
কাহিনীকার মাসুম রেজা (বাপজানের বায়োস্কোপ), যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার
মাসুম রেজা ও মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ
রচয়িতা হুমায়ুন আহমেদ (অনিল বাগচীর একদিন), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক মেহেদী রনি
(বাপজানের বায়োস্কোপ), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক সামুরাই মারুফ (জিরো
ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান (পদ্ম পাতার জল), শ্রেষ্ঠ
শব্দগ্রাহক রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জা
মুসকান সুমাইয়া ও শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান হিসেবে শফিক (জালালের গল্প)।
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফেরদৌসি রহমানের পক্ষে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার ছেলের বউ সৈয়দা সাদিয়া আমিন এবং হুমায়ুন আহমেদের পক্ষে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার গ্রহণ করেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফেরদৌসি রহমানের পক্ষে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার ছেলের বউ সৈয়দা সাদিয়া আমিন এবং হুমায়ুন আহমেদের পক্ষে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার গ্রহণ করেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
No comments:
Post a Comment