কক্সবাজারে কলাতলী বাতিল প্লট উচ্ছেদে ভাটা, প্রশাসনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ!
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে বাতিলকৃত প্লট এখনো বিএনপি জোটের নেতারা দখলে রেখেছে। প্লট বাতিল হওয়া সরকারী খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও নড়বড়ে করে রাখা আধা পাকা / পাকা ভবন দিয়ে জবর দখলে রেখেছে এখনো। গত কিছু দিন আগে কোটি কোটি টাকার সরকারী সম্পদ উদ্ধারে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে বর্তমান নির্মানাধিন দু‘একটি দোকান ভাঙ্গলেও ভাঙ্গেনি নির্মান করা দোকান পাঠ। আর তাই ঐ দোকানপাট এখনো বহাল তবিয়তে চলছে। এলকাবাসীর প্রশ্ন , প্লট থেকে সম্পুর্ন উচ্ছেদ না করলে স্থাপনা রেখে ব্যাবসা করতে দিলে তার আর উচ্ছেদের কি দরকার? দিনরাত ছোটবড় স্থাপনা এখনো থামছেনা। এমনকি ঝুপড়ী করে পানের দোকান , বিভিন্ন গাড়ীর কাউন্টার, চায়ের দোকান ভাড়া দিয়ে দখলে রেখেছে এমনই দেখা যায় সরেজমিনে গিয়ে। বিএনপি জোট সরকারের আমলে ২০০৩-২০০৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে যে ৮৭ টি প্ল্ট নেতা কর্মীদের মাঝে বরাদ্ধ দেয়। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করার ১ বছরের মাথায় কমিটি গঠন পুর্বক তদন্ত করে ৫১ টি প্লট বাতিল করে। উক্ত জায়গা সরকারের খাস খতিয়ান ভুক্ত করে। সরকার বাতিল করলেও স্থানিয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অর্ধেকেরও বেশী প্লট কিছু কিছু স্থাপনা নির্মান করে দখলে রেখে দেয় জোটের নেতারা। যাহা বাতিল হওয়ার ৭ বছর পরও তাদের নিয়ন্ত্রনে রেখেছে। এমনই প্লটের মধ্যে বেনামে নেওয়া বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের প্লট যা এনায়াতুল বারী’র নামে বরাদ্ধ ২০ নং প্লট , বিএনপি নেতা ইউসুপ আব্দুল্লাহর প্লট যা হোটেল সুন্দরবন নামে আলহাজ¦ এম এ জব্বাররের নামে বরাদ্ধ ৩০ নং প্লট দেওয়া হয়েছিলো। সবাই এখনো তা দখল বহাল তবিয়তে আছে। প্রশাসন লোক দেখানো কিছু নতুন ভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও পুরাতন স্থাপনা গুলো যে যার মত করে দখলে আছে। ২০ নং প্লটে স্থানিয় বিএনপি ঘরনার জনৈক হেলাল ও ৩০ নং প্লট স্থানিয় সৈকত পাড়ার বিএনপি ঘরনার নেতা কামরুলের মাধ্যমে দখল করে আছে। তাছাড়া অন্যান্য প্লটগুলোও কোননা কোন ভাবে বিএনপি ঘরনার নেতারাই দখলে আছে এমনটি জানালেন বাতিল প্লটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক। ঝুপড়ি ও ছোট ছোট দোকান ভাড়া দিয়ে তারা বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩০ নং প্লটে কাজী বেলালের অফিস , বৈশাখী রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরাণী হাউস ও আলম ভাই ভাই নামের তিনটি প্রতিষ্টান যাহা জনৈক কামরুল থেকে ভাড়া নিয়ে আছে বলে জানান তারা । তাছাড়া ২০ নং প্লটে শ্যামলী পরিবহন(এসপি) , শ্যামলী পরিবহন( এনআর) কাউন্টার ও এসএম ট্যাুরস্ আন্ড ট্রাভেল্স নামক তিনটি প্রতিষ্টানকে ভাড়া দেয় হেলাল নামক ব্যাক্তি থেকে ভাড়া নিয়ে আছে তারা। কলাতলীর এক ব্যাবসায়ী ছৈয়দ নুর বলেন, প্রশাসন কেন একবারে উচ্ছেদ করেনা পুরা প্লট থেকে তা বুঝে আসেনা। কেন সামান্য কিছু ভেঙ্গে সব রেখে দিয়ে চলে যায়? এ নিয়ে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার (সদর) সহকারী কমিশনার (ভুমি) নাজিম উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এটা চলমান প্রক্রিয়া, সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছদ করা হবে। সরকারী স্বার্থ রক্ষা প্রশাসনের দায়িত্ব।
সচেতন মহলের প্রশ্ন উচ্ছেদ অভিযান চলমান অবস্থায় কি ভাবে স্থাপনা নর্মিান ও চলমান থাকে ? তাছাড়া বাতিলকৃত প্লটে এতগুলো স্থাপনা এখনো কি ভাবে থাকে। প্রশাসনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে জানান তারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে বাতিলকৃত প্লট এখনো বিএনপি জোটের নেতারা দখলে রেখেছে। প্লট বাতিল হওয়া সরকারী খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও নড়বড়ে করে রাখা আধা পাকা / পাকা ভবন দিয়ে জবর দখলে রেখেছে এখনো। গত কিছু দিন আগে কোটি কোটি টাকার সরকারী সম্পদ উদ্ধারে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে বর্তমান নির্মানাধিন দু‘একটি দোকান ভাঙ্গলেও ভাঙ্গেনি নির্মান করা দোকান পাঠ। আর তাই ঐ দোকানপাট এখনো বহাল তবিয়তে চলছে। এলকাবাসীর প্রশ্ন , প্লট থেকে সম্পুর্ন উচ্ছেদ না করলে স্থাপনা রেখে ব্যাবসা করতে দিলে তার আর উচ্ছেদের কি দরকার? দিনরাত ছোটবড় স্থাপনা এখনো থামছেনা। এমনকি ঝুপড়ী করে পানের দোকান , বিভিন্ন গাড়ীর কাউন্টার, চায়ের দোকান ভাড়া দিয়ে দখলে রেখেছে এমনই দেখা যায় সরেজমিনে গিয়ে। বিএনপি জোট সরকারের আমলে ২০০৩-২০০৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে যে ৮৭ টি প্ল্ট নেতা কর্মীদের মাঝে বরাদ্ধ দেয়। পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করার ১ বছরের মাথায় কমিটি গঠন পুর্বক তদন্ত করে ৫১ টি প্লট বাতিল করে। উক্ত জায়গা সরকারের খাস খতিয়ান ভুক্ত করে। সরকার বাতিল করলেও স্থানিয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অর্ধেকেরও বেশী প্লট কিছু কিছু স্থাপনা নির্মান করে দখলে রেখে দেয় জোটের নেতারা। যাহা বাতিল হওয়ার ৭ বছর পরও তাদের নিয়ন্ত্রনে রেখেছে। এমনই প্লটের মধ্যে বেনামে নেওয়া বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের প্লট যা এনায়াতুল বারী’র নামে বরাদ্ধ ২০ নং প্লট , বিএনপি নেতা ইউসুপ আব্দুল্লাহর প্লট যা হোটেল সুন্দরবন নামে আলহাজ¦ এম এ জব্বাররের নামে বরাদ্ধ ৩০ নং প্লট দেওয়া হয়েছিলো। সবাই এখনো তা দখল বহাল তবিয়তে আছে। প্রশাসন লোক দেখানো কিছু নতুন ভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও পুরাতন স্থাপনা গুলো যে যার মত করে দখলে আছে। ২০ নং প্লটে স্থানিয় বিএনপি ঘরনার জনৈক হেলাল ও ৩০ নং প্লট স্থানিয় সৈকত পাড়ার বিএনপি ঘরনার নেতা কামরুলের মাধ্যমে দখল করে আছে। তাছাড়া অন্যান্য প্লটগুলোও কোননা কোন ভাবে বিএনপি ঘরনার নেতারাই দখলে আছে এমনটি জানালেন বাতিল প্লটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক। ঝুপড়ি ও ছোট ছোট দোকান ভাড়া দিয়ে তারা বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ৩০ নং প্লটে কাজী বেলালের অফিস , বৈশাখী রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরাণী হাউস ও আলম ভাই ভাই নামের তিনটি প্রতিষ্টান যাহা জনৈক কামরুল থেকে ভাড়া নিয়ে আছে বলে জানান তারা । তাছাড়া ২০ নং প্লটে শ্যামলী পরিবহন(এসপি) , শ্যামলী পরিবহন( এনআর) কাউন্টার ও এসএম ট্যাুরস্ আন্ড ট্রাভেল্স নামক তিনটি প্রতিষ্টানকে ভাড়া দেয় হেলাল নামক ব্যাক্তি থেকে ভাড়া নিয়ে আছে তারা। কলাতলীর এক ব্যাবসায়ী ছৈয়দ নুর বলেন, প্রশাসন কেন একবারে উচ্ছেদ করেনা পুরা প্লট থেকে তা বুঝে আসেনা। কেন সামান্য কিছু ভেঙ্গে সব রেখে দিয়ে চলে যায়? এ নিয়ে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার (সদর) সহকারী কমিশনার (ভুমি) নাজিম উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এটা চলমান প্রক্রিয়া, সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছদ করা হবে। সরকারী স্বার্থ রক্ষা প্রশাসনের দায়িত্ব।
সচেতন মহলের প্রশ্ন উচ্ছেদ অভিযান চলমান অবস্থায় কি ভাবে স্থাপনা নর্মিান ও চলমান থাকে ? তাছাড়া বাতিলকৃত প্লটে এতগুলো স্থাপনা এখনো কি ভাবে থাকে। প্রশাসনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে জানান তারা।

No comments:
Post a Comment