Monday, December 25, 2017

চেম্বারে শিশুরোগী ও কলেজছাত্রী খালাকে যৌন হয়রানি

হরমোন চিকিত্সার নামে এক শিশু ও তার খালা এক কলেজছাত্রীকে যেৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক চিকিত্সকের বিরুদ্ধে। শিশু ও কলেজছাত্রীর চিত্কারে লোকজন ছুটে এসে চিকিত্সককে আটক করে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোববার রাত সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। আটক চিকিত্সকের নাম ডিএ রশিদ। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ। রাত সাড়ে ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় রাজপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাটি আপসরফার চষ্টোয় ছিল। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানান, জেলার বাঘার মীরগঞ্জের ৯ বছরের এক শিশুকে তার খালা কলেজছাত্রী চিকিত্সার জন্য ডিএ রশিদের কাছে নিয়ে যান। সিরিয়াল এলে চিকিত্সক শিশুটিকে ভেতরে রেখে তার খালাকে চেম্বার থেকে বের করে দেন। এ সময় ভেতর থেকে শিশুটি চিত্কার দিলে তার খালা দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন।
ওই সময় শিশুটির পরনের কাপড় খোলা অবস্থায় ছিল। শিশুটির খালা এভাবে চিকিত্সা করার প্রতিবাদ করলে ডাক্তার তার খালার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে তার খালা শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন। বাইরে অপেক্ষমাণ লোকজনকে জানালে তারা ভেতরে ঢুকে ডাক্তারকে মারধর করে বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ডাক্তারকে দরজা খুলে উদ্ধার করে। অন্যদিকে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে ডাক্তারের শাসি্তর দাবিতে পপুলারের ভেতরে বিক্ষোভ করতে থাকেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ শিশুটিকে ও তার খালাকে নিরাপদে সরিয়ে রেখেছে। স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও পুলিশ ডাক্তারের সঙ্গে আপসরফার চষ্টো করছিল। ডাক্তারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘটনা ধামাচাপার চষ্টোর অভিযোগে রাজপাড়া থানার এসআই আব্বাস আলীকেও শেষ পর্যন্ত ঘেরাও করে এলাকার লোকজন। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাক্তারকে হেফাজতে নেন। আরএমপির উপ-কমিশনার আমীর জাফর জানান, এ ব্যাপারে ডাক্তারের বিরুদ্ধে যেৌন হয়রানির মামলা হবে। শিশু রোগীর শ্লীলতাহানি ও তার খালাকে যেৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা হতে পারে বলে জানান তিনি।

No comments:

Post a Comment