Sunday, December 17, 2017

নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরুন

নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। জানাতে হবে দেশপ্রেমের চেতনা। তাহলেই আমরা সফল হব। বায়ান্ন থেকে একাত্তর নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রক্তের সিঁড়ি বেয়ে এসেছে আমাদের এ বিজয়। মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি পরাজিত হলেও সক্রিয় রয়েছে। এ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে না পারলে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে।
শনিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মহান বিজয় দিবস আমাদের গৌরব ও অহংকারের দিন। আজ থেকে ছেচল্লিশ বছর আগে পাকিস্তানিদের অন্যায়, অত্যাচার ও অপশাসনের দেয়াল ভেঙে আমরা পেয়েছিলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের কাক্সিক্ষত বিজয়। আজকের এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র যুদ্ধ করে আমরা বিজয় লাভ করেছিলাম। শুধু রণাঙ্গনেই নয়, সেদিন মুক্তিকামী প্রতিটি বাঙালি যার যা আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে প্রস্তুত হয়েছিল। সালমা ইসলাম এমপি আরও বলেন, আসুন সবাই মিলে অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি। মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এ বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখি। আজকের এ দিনে দল-মত নির্বিশেষে মহান বিজয় দিবসের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শপথ নিতে হবে। আজকের দিনের আহ্বান- আসুন সবাই মিলে একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলি। তিনি ভোর সাড়ে ৬টায় উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ৯টায় প্রথমে নবাবগঞ্জ ও পরে দোহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন ও দোহারের নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আল আমিন। মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, সাবেক এমপি আবু মো. সুবিদ আলী টিপু, খন্দকার হারুনুর রশিদ, জাতীয় কমিটির সদস্য আবদুল বাতেন মিয়া, আজিজুর রহমান ফকু, আইজিআর খান আবদুল মান্নান, সাবেক এআইজিপি শহীদুল্লাহ খান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরুল হাসান। আরও উপস্থিত ছিলেন ওসি শেখ সিরাজুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল, মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান মিয়া, কেএস আলম পোখরাজ,
দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, আনার কলি পুতুল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা, নবাবগঞ্জের কমান্ডার শাহ্ আবু বকর সিদ্দিকী, আবদুল মজিদ, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক সুরুজ আলম, নবাবগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম জালাল, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ, ইব্রাহীম খলিল, দেওয়ান মোসলেম উদ্দিন প্রমুখ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির নবাবগঞ্জ উপজেলা সদস্য সচিব শরফুদ্দিন শরীফ, ঢাকা জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর চোকদার, কফিল উদ্দিন, মান্নান মাস্টার, একেএম আবদুল হালিম, এমএ মজিদ, আসাদুজ্জামান চৌধুরী রানা, ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ, আবদুল আলীম, মশিউর রহমান, রিপন মোল্লা, আনোয়ার হোসেন মোড়ল, আয়নুল চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম, আবদুল গফুর, নুর ইসলাম, শফিকুল ইসলাম স্বপন, আবদুস সালাম, নকুল সরকার, আবদুস সালাম মোল্লা, ছলেমান মেম্বার, ওয়াসিম আহমেদ, মতিন মেম্বার, মো. রতন, ফরিদ হোসেন, মিজানুর রহমান, আবদুর রহমান, চঞ্চল মিয়া, অমল দাস, আজিজুর রহমান, আইরিন গমেজ, আসমা আক্তার রুমি, রেশমী হোসেন আজাদ, তাজনিনা আহমেদ, যুব সংহতির নাজিম আহমেদ, এসএম মোস্তারীম মিথূন, বোরহান হোসেন, মো. সেলিম, ছাত্রসমাজের মিলন খান, রাজিব খান, নাজিম বক্স, খলিল দেওয়ান, পনির মণ্ডল, মিজানুর রহমান, শ্রীকৃষ্ণ সাহা, নজরুল ইসলাম, মনির হোসেন প্রমুখ। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

No comments:

Post a Comment