বিয়ের
প্রলোভনে রাজধানীর বনানীর হোটেল সুইট ড্রিমে ধর্ষণের অভিযোগে কুশান ওমর
সূফির বিরুদ্ধে মামলা করে এখন আতঙ্কে ভুক্তভোগী। ঘটনার পর থেকেই কুশানের
পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তরুণীর।
কুশানকে তার পরিবার মানসিক রোগী হিসেবে উল্লেখ করার চেষ্টা করছে। কুশান
ব্যবসায়ী জামাল আহমেদ সূফির ছেলে এবং সঙ্গীতশিল্পী আনুশেহ আনাদিলের ভাই।
কুশানের পরিবার হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কুশানের বাবা আহমেদ সূফি
মঙ্গলবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, বাদীকে কোনো ধরনের হুমকি তো দূরে থাক, তার
সঙ্গে কোনো যোগাযোগও হয়নি। আমার পরিবার এ ধরনের অভদ্র আচরণে অভ্যস্ত নয়।
মেয়েটি প্রথমে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ও পল্লবী থানায় যায় এবং
পরে সে বনানী থানায় অভিযোগ করে। আশা করছি পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা
উদ্ঘাটন করবে। ভুক্তভোগী তরুণী মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কুশানের পরিবার
আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। তারা বলছে, আমাদের অনেক টাকা, অনেক জানাশোনা
আছে। বড় উকিল ধরেছি আমরা। তোর তো ৫০০ টাকা খরচ করার সামর্থ্য নেই।
এসব কথা
বলার পাশাপাশি আমাকে এবং আমার পরিবারকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে।
তরুণীর অভিযোগ, ১৯ নভেম্বর এক রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া শেষে কুশান
আনুমানিক রাত ১২টা ২০ মিনিটে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউর হোটেল সুইট
ড্রিমের ৮০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে যায় ওই তরুণীকে। প্রেমের সম্পর্ক থাকায়
কুশানের সঙ্গে যেতে কোনো আপত্তি করেননি তিনি। হোটেলে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ
করে কুশান। ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, পরিবারের দাবি কুশান মানসিক রোগী। তাকে
মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কুশানকে বাঁচাতে তারা এ ধরনের কথা বলছে।
মামলার পর কুশানকে তারা লুকিয়ে রেখেছে। বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত)
আবদুল মতিন যুগান্তরকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত
করে দেখছি। আসামি পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

No comments:
Post a Comment