
স্বামী
মারা গেছেন। অভাবের সংসারে তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে বিপাকে পড়েন গৃহবধূ সন্ধ্যা।
তাই সংসারের হাল ধরতে কুলিগিরি শুরু করেন তিনি। মেয়েরা এখন কোনো জীবিকাতেই
পিছিয়ে নেই। তা হলে কুলির পেশাটা কেন শুধু পুরুষদের হস্তগত থাকবে। ৩০
বছরের সন্ধ্যা মারাওয়ি ভেঙে দিয়েছেন সেই বাধা।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের
কুন্দমের বাসিন্দা সন্ধ্যা দেশের প্রথম নারী কুলি। স্বামীর অকাল মৃত্যুর পর
তিন সন্তান নিয়ে বিপদে পড়েছিলেন এ যুবতী বধূ। তাই সমাজের রক্তচক্ষুকে
পরোয়া না করে সন্তানদের মানুষ করতে কুলির পেশাকেই বেছে নিয়েছেন সন্ধ্যা। গত
বছর জানুয়ারি মাসে রেলের কুলির কাজে যোগ দেন সন্ধ্যা। সকালে সংসার সামলে
প্রতিদিন বিকালে জবলপুরের কাটনি জংশনে জীবিকার্জনে যান সন্ধ্যা। তার ৪০
পুরুষ সহকর্মী সবসময় তার পাশে থাকেন বলে জানিয়েছেন দেশের প্রথম নারী কুলি।
No comments:
Post a Comment