
বিশ্বনাথ
ঘোষ। বয়স প্রায় ৮০ বছর। তিন ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলেদের অবহেলা সইতে না পেরে এ
বুড়ো বয়সে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। তবে অল্পের জন্য
প্রাণে রক্ষা পান বিশ্বনাথ ঘোষ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের
পুরুলিয়া জেলার হিজুলি শহরে। বিশ্বনাথের ভাষ্য, ‘তাকে কেউ ভালোবাসে না
বলেই তিনি মরতে চেয়েছিলেন।’ গত রোববার জীবন রাখবেন না বলে ঝাঁপ দিয়েছিলেন
ভাগীরথী নদীতে। শান্তিপুরের গবারচরের স্থানীয় এক যুবক তাকে উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, বিশ্বনাথ ঘোষ তার ছোট ছেলেকে বাড়ি করে দিয়েছেন। দুই ছেলে তার
সঙ্গে থাকেন। তবে তাদের সংসার আলাদা। স্ত্রী পান্না দেবীকে নিয়ে আলাদা
থাকেন বিশ্বনাথ। দোতলা বাড়ির ওপরের তলায় একটি ঘরে থাকেন স্ত্রীকে নিয়ে।
প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে চাষ করেন ছেলেরা। স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধের জমি ছেলেরা
চাষ করেন। তাদের করুণাই চলে দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবন। ছেলেদের সঙ্গে
মাঝেমধ্যেই লেগে থাকে অশান্তি। এদিকে খবর পেয়ে ছেলেরা নিতে এলে গবারচরের
লোক তাদের দিয়ে মুচলেকা লিখিয়ে নিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে তারা এমন কিছু করবেন
না, যাতে দ্বিতীয়বার আত্মঘাতী হওয়ার কথা ভাবতে হয় তাদের বাবাকে।
No comments:
Post a Comment