বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়িয়েছে মিয়ানমার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তুমব্রু সীমান্তের ওপারে কাঁটা তারের বেড়ার কাছে অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় তারা। সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর ফলে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গাদের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উৎকন্ঠা। এদিকে নো ম্যান্স ল্যান্ডে বাংলাদেশ অংশে টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, সকাল থেকে কয়েকটি ট্রাকে করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা তুমব্রু সীমান্তের ওপারে কাঁটা তারের বেড়ার কাছে অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয়। সীমান্তের নির্মাণ করা বাংকারগুলোতেও অবস্থান নিয়েছে মিয়ানমার সেনারা। একইসঙ্গে পাহারা দিচ্ছে সীমান্ত রক্ষী পুলিশ (বিজিপি) সদস্যরাও ।
রোহিঙ্গা নাগরিক নূর মোহাম্মদ জানান, সকাল থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সদস্যরা মর্টারসহ অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। তাদের সঙ্গে বিজিপির সদস্যদেরও দেখা যাচ্ছে। এতে আমরা আতংকের মধ্যে রয়েছি। তবে এ অবস্থাতেও কোনো রোহিঙ্গা এখনও সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঢুকেনি। সকাল থেকে ১১ বার মাইকিং করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তারা নো ম্যান্স ল্যান্ডে থেকে রোহিঙ্গাদের সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে বলে জানান নূর মোহাম্মদ।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম সরওয়ার কামাল বলেন, তুমব্রু কোনার পাড়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার সেনাবাহিনী সকাল থেকে ভারী অস্ত্র নিয়ে টহল দিচ্ছেন বলে তিনি শুনেছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। ঘুমধুমের কোনার পাড়ায় ৬০২২ জন রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এপাড়ে বিজিবি কড়া পাহারায় রয়েছে।
গত মঙ্গলবার তিন নোবেল বিজয়ী নারী তুমব্রু সীমান্ত পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জিরো পয়েন্টের স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা। গণহত্যার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু-চির বিচারের দাবিও তোলেন নোবেল জয়ী তিন নারী। তাদের সফরের একদিন পরই সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা বাড়ালো মিয়ানমার।
রোহিঙ্গা নাগরিক নূর মোহাম্মদ জানান, সকাল থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সদস্যরা মর্টারসহ অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। তাদের সঙ্গে বিজিপির সদস্যদেরও দেখা যাচ্ছে। এতে আমরা আতংকের মধ্যে রয়েছি। তবে এ অবস্থাতেও কোনো রোহিঙ্গা এখনও সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঢুকেনি। সকাল থেকে ১১ বার মাইকিং করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তারা নো ম্যান্স ল্যান্ডে থেকে রোহিঙ্গাদের সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছে বলে জানান নূর মোহাম্মদ।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম সরওয়ার কামাল বলেন, তুমব্রু কোনার পাড়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার সেনাবাহিনী সকাল থেকে ভারী অস্ত্র নিয়ে টহল দিচ্ছেন বলে তিনি শুনেছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। ঘুমধুমের কোনার পাড়ায় ৬০২২ জন রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এপাড়ে বিজিবি কড়া পাহারায় রয়েছে।
গত মঙ্গলবার তিন নোবেল বিজয়ী নারী তুমব্রু সীমান্ত পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে জিরো পয়েন্টের স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কথা শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা। গণহত্যার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু-চির বিচারের দাবিও তোলেন নোবেল জয়ী তিন নারী। তাদের সফরের একদিন পরই সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা বাড়ালো মিয়ানমার।

No comments:
Post a Comment