Friday, March 16, 2018

কক্সবাজার চকরিয়ায় জালাল বাহিনীর হাতে জিম্মী এলাকাবাসী


চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার চকরিয়া জালাল বাহিনীর হাতে জিম্মি চরনদীপ ও বহলতলী মৌজার মেদের ছৌড়া এলাকার জনগন। তার বিরুদ্ধে টু শব্দ করার কেউ নেই। জানা যায়,  চকরিয়ার চিরিঙ্গা ইউনিয়ন সওদাগর ঘোনা  ৭নং ওয়ার্ডের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে জালাল উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছিলো। লবন মাট , চিংডি ঘের থেকে এক হাজার/ দু‘হাজার থেকে ক্ষেত্র বিশেসে পাঁচ হাজার করে চাঁদা না দিলে কেউ লবন চাষ কিংবা চিংডি ঘের করাতো দুরের কথা সীমানায় যাওয়া ও দুস্কর হয়ে পড়ে। চাঁদা না দেওয়ায় কিছুদিন আগে এলাকার খোরশেদ আলম নামক এক  ব্যাক্তি কে গলাটিপে হত্যা করেছিল উক্ত জালাল  সহ তার বাহিনী। চাঁদা না দিলে মেরে ফেলা, পঙ্গু করে ফেলার হুমকি সহ মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানির ধমক দিত সব সময়। চকরিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে প্রায় ডজন খানেক মামলা থাকলেও তাকে পুলিশ কেন গ্রেফতার করছেনা তা বোধগম্য নয় বলে জানান এলাকাবাসী। থানায় তার মামলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জি আর মামলা নং ৫০৩-২০/১৫,৫০৫-২০/১৫,৩২১-২০১১,৪৮৯-২০/১৪,৬২৩-২০/১২,৪৮৫-২০/১৫,২২৯-২০/১০,৪৮৯-২০/১২,১৬-২০/১৫,৭১-২০/১২এবং ংঃ৯১-২০/১২সহ অন্যতম। তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অন্যতম ইন্দন দাতা কারা জানতে চাইলে  জনগন বলেন তাকে অস্ত্র ও টাকা দিয়ে সহযোগীতা করেন পৌরসভার ৫নংওয়ার্ডের মহুরী ঘোনার আনোয়ার ও খোটাখালীর জসিম। এলাকা বাসিরা আরো জানান শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুল আমিনের মৃত্যুর পর তার অত্যাচার আরো বেড়ে গেছে। তার সহযোগীরা হলেন, কাটা খালীর এনাম,নাসির, মিন্টু, ইউনুস সহ কয়েকজন বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে সে গড়ে তুলে তার বাহিনী। এ নিয়ে এলাকাবাসী আরো জানান, খুবই ভয় ভিতির মধ্যে দিনাতিপাত করছেন গরিব চাষীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দিন চৌঃ বলেন, তেমন কেউ থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করে নাই, লিখিত অভিযোগ করলে আমরা অবশ্যই ব্যাবস্থা নিবো, আগের মামলা গুলো ওয়ারেন্ট আছে কি না তাও আমি দেখবো।
এলাকার সচেতন মহল সহ ভুক্তভোগীরা জানান, অতি শীগ্রই জালাল বাহিনীকে ধরে আইনের আওতায় না আনা হলে পুরা চকরিয়ার আইনশৃংখলা ভেঙ্গে পড়ার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহনের আবেদন জানিয়েছেন তারা।

No comments:

Post a Comment