Sunday, June 24, 2018

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কাজী ইকবালের জমি জবর দখল করে স্থাপনা নির্মান

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কাজী ইকবালের জমি জবর দখল করে স্থাপনা নির্মান


দূর্ণীতি দমন কমিটির সম্পাদক পরিচয় দিয়ে ভয় দেখায় ডাঃ ফিরোজ খাঁন !
বার্তা পরিবেশকঃ
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলার মহেশখালী পৌরসভার সিকদার পাড়া(ছোট মগপাড়া) এলাকায় মরহুম কাজী আলহাজ¦ মৌঃ মোহাম্মদ আহমদ উল্লাহর পুত্র  কাজী নছির শাহ মোহাম্মদ ইকবালের মৌজা-গোরকঘাটা, বিএস ১৯৭৮ খতিয়ানের, বিএস দাগ ৯৮৩,৯৮৪ দাগাদীর আন্দরে আনুমানিক ৭/৮ শতক জমি জবর দখল করে স্থাপনা নির্মান করছে ঐ এলাকার মং মে শে’র পুত্র আল্লে ও মৃত পতু’র পুত্র জ-জ সহ অজ্ঞাত দুজন ভুমিদস্যু। আর এর পিছনে প্রত্যক্ষ ভাবে সহযোগিতা করছে মহেশখালী আদালত এলাকার মরহুম মীর আহমদ খলিফার পুত্র ডাঃ ফিরোজ খাঁনের নেতৃত্বে গোরকঘাটা চরপাড়া এলাকার মৃত জামাল খলিফার পুত্র মনির আহমদ ও মহেশখালী সিকদার পাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের পুত্র আমিনুল ইসলাম প্রকাশ ভুট্টো একদল সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক এমনটি জানা যায় গতকাল ২৪ জুন কক্সবাজার পুলিশ সুপার বরাবরে কাজীর নসির শাহ মোহাম্মদ ইকবাল বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগে। উক্ত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, চাকরীর স্বার্থে বাদী দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার শহরে (টেকপাড়া কাজী অফিস), স্থায়িভাবে বসবাস করে আসছে। সেই সুবাধে উপরোক্ত ডাঃ ফিরোজ, মনির আহমদ ও ভুট্টোর প্ররোচনায় ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়উপরে উল্লেখিত আল্লে ও জ-জ সহ অজ্ঞাত দুজন ভুমিদস্যু তাহার  পিতার ক্রয়সুত্রে প্রাপ্ত গোরকঘাটা মৌজার বিএস ১৯৭৮ খতিয়ানের, বিএস দাগ ৯৮৩,৯৮৪ দাগাদীর আন্দরে আনুমানিক ৭/৮ শতক জমি জবর দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মান করছে। বিষয়টি কিছুদিন আগে বাদী(কাজী ইকবাল) জানতে পেরে খোঁজ খবর নিয়ে নিশ্চিত হয়।  এর পর তিনি সরেজমিনে গিয়ে তা দেখে ৪ ও ৫ নং বিবাদীগন কেন তার জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মান করছে বিষয়ে কৈফিয়ত চাইলে তারা তারা জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মানের কথা স্বীকার করে বলেন, ডাঃ ফিরোজ খাঁন আমাদের বিষয়টি দেখবে বলেন এবং আপনার সাথে কথা বলে তা ঠিক করে নেবেন বলেন। তাদের এ কথা শুনে কাজী ইকবাল বিষয়টি জানতে ডাঃ ফিরোজ খাঁনের সাথে দেখা করলে তিনি বিষয়টি সুন্দর সমাধানের চেষ্টা করবে এবং কাজে ব্যস্ত আছে তাই পরে যোগাযোগ করতে বলেন। কিছুদিন পর তিনি ডাঃ ফিরোজ খাঁনের সাথে মোবাইলে ফোন করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি কাজী ইকবালকে জগন্য অকথ্যভাষায় অশালীন গালমন্ধ করে। কাজী ইকবাল আরো বলেন, ডাঃ ফিরোজ খাঁন মহেশখালী উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সাধারন সম্পাদক বলে ভয় দেখায়। এতে তিনি বুঝতে পারেন বিবাদীগন পরস্পর যোগসাজসে তাহার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত উপরোক্ত তফসিলের জায়গা দখল করে আতœসাতের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এবং আরো জানতে পারে ২ ও ৩ নং বিবাদীগন উক্ত জায়গা জবর দখলে সরাসরি জড়িত। তারা এমন প্রকৃতির লোক যে স্থানিয় কারো কথা তারা মান্য করেনা। পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে ডাঃ ফিরোজ খাঁনের মুটোফোন সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।             

No comments:

Post a Comment