Tuesday, July 24, 2018

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী মজিদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের তেলেস্মাতি !

অনুসন্ধানি প্রতিবেদন-১

নিয়োগ বঞ্চিত হলেন আব্দু রহিম
নিজস্ব প্রতিবেদক,
শিÿা জাতির মেরুদন্ড উন্নয়নের মানদন্ড। জাতি গঠনের কারখানা শিÿা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক কিছু অনিয়ম শুনতে অবিশ^াস্য মনে হলেও বা¯Íবতা মিলে প্রমাণপত্রে। এরই মধ্যে মহেশখালীর মাতারবাড়ী মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসা অধ্যÿের দূর্নীতি গা শিউরে উঠার মতো। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০০৬ সালের ২ রা জানুয়ারী তারিখে দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি মতে পিয়ন পদে নিয়োগ পাওয়ার আবেদন করেন স্থানীয় আব্দু রহিম। ঐ পিয়ন পদে দেলোয়ার হোছাইন, পিতা নেছার আহমদ, মোহাম্মদ হাসান, পিতা. আব্দু ছালাম, ওয়াসিম উদ্দিন, পিতা. মোহাম্মদ হোছন, আব্দু রহিম, পিতা.মো¯Íাক আহমদসহ চারজন আবেদনকারী ছিলেন। নিয়োগ পরীÿা আব্দু রহিম ৬৮ নাম্বার পেয়ে নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশ প্রাপ্ত হন। অপর তিনজন পরীÿার্থীর মধ্যে দেলোয়ার ৫২ নাম্বার, ওয়াসিম উদ্দিন ৪৭ নাম্বার, মোহাম্মদ হাসান ৪৫ নাম্বার পান। এর পর বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিÿা পরিদপ্তরের স্মারক নং০১(বিজ্ঞপ্তি)ম,তারিখ ০১ লা জানুয়ারী/১৯৮২ ইংরেজির নিয়োগ বিধি অনুযায়ী ০৬.০৭.৬ইং তারিখে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩০/০৬নং স্মারকে অধ্যÿ মোহাম্মদ কামাল হোছাইন স্বাÿরিত নিয়োগ পত্র গ্রহণ করেন আব্দু রহিম।
নিয়োগ পত্রের শর্তানুযায়ী ১০.০৭.০৬ ইং তারিখে মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে যোগদান পত্র দাখিল করেন। সব ধরনের আনুষ্টানিকতা শেষে নিয়োগ ফাইল প্রসেসিং এর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহেশখালী ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ এইচ এম লোকমান ০৫.০৯.২০০৬ ইং তারিখে স্মারক নং উনিঅ/মহেশ/২০০৬-৭২১ মোতাবেক মহা-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিÿা অধিদপ্তর , ঢাকা বরাবরে আব্দু রহিমের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রাদি প্রেরণ করেন। ফাইল প্রসেসিং এর অজুহাতে অধ্যÿ কামাল হোছাইন  ত্রিশ হাজার টাকা নেওয়ার পরও নিয়োগ প্রক্রিয়া চুডান্ত না হলে সমস্যা কি জানতে চান আব্দু রহিম। অধ্যÿ কামাল হোছাইন কাজ হবে বলে আশ^¯Í করে কয়েক দফায় টাকা নিয়ে কাজের কাজ কিছুই না করে মিথ্যে স্বপ্ন দেখান দরিদ্র পরিবারের সন্তান আব্দু রহিমকে। অবশেষে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে মোটা অংকের টাকায় একই পদে আরেক জনকে নিয়োগ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এনামুল হক চৌধুরী রুহুল জানান-তিনি মজিদিয়া মাদ্রাসার সভাপতি থাকা কালীন সময়ে চেষ্টা করেছেন দূর্নীতিমুক্ত করার জন্য, কিন্তু তখনো অধ্যÿ কামাল হোছাইন বিভিন্ন কলা কৌশল অবলম্বন করে মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করতেন। এছাড়া অধ্যÿ কামালের ষডযন্ত্রের কারণে পিয়ন পদে আব্দু রহিম নিয়োগ বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি সত্য বলে জানান সাবেক সভাপতি রুহুল। নিয়োগ বঞ্চিত আব্দু রহিম বিষয়ে জানতে অধ্যÿ কামাল হোছাইন এর মুটোফোন ০১৭২৭৩৭৭৮৬২ নাম্বারে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি মোবাইল চার্জে দিছে বলে ফোন কেটে দেন। এর পর বার বার ফোন দিলে ও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জেলা শিÿা অফিসার মোঃ ছালেহ উদ্দিন জানান-এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ কোন ভাবেই ছাড় দেওয়ার নয়। এ সংক্রান্ত তথ্য তিনি হাতে পেয়েছেন খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি। শিÿা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম বন্ধে কর্তৃপÿের কঠোর হ¯Íÿেপ কামনা করেন তিনি। ইতিপূর্বে মাদ্রাসার অনেক টাকা নামে বেনামে আত্মসাত করেছেন অধ্যÿ কামাল হোছাইন এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। তাই শিÿা প্রতিষ্ঠানে দূর্নীতি রোধকল্পে সরজমিন তদন্ত পূর্বক অধ্যÿ কামাল হোছাইনের বিরুদ্ধে কর্তৃপÿের আশু হ¯Íÿেপ কামানা করেন মাতারবাড়ীবাসি। ফোন রিসিভ করলে আগামী পর্বে তার বক্তব্য তুলে ধরা হবে। চলবে


No comments:

Post a Comment