সাগরীকা আক্তার মেহজাবীনঃ
মাননীয়
মেয়রের
হস্তক্ষেপ
প্রয়োজন
নারায়ণগঞ্জ
সিটি
কর্পোরেশনের
১০নং
ওয়ার্ডের
চিত্তরঞ্জন
ঘাটটি
অবস্থা
বেহাল। ঘাটের প্রধান সড়ক থেকে আশেপাশে সড়কে বালু মহল। একাংশে ঘাটের ইঞ্জিন চালিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার করছে এলাকাবাসী শিক্ষার্থীরা। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পারাপারে যেন সময় দুর্ঘটনা সৃষ্টি হয়ে পারে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দরের লক্ষণখোলা সোমবাড়িয়া বাজার ঘাটের চিত্তরঞ্জনটি ঘাট যেন দেখার কেউ নাই। ঘাটের শুরু থেকে নদী পর্যন্ত বালু উচু করে দখলের মহড়া। পাশে একটি একটি অংশ দিয়ে ২ থেকে ৩টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা চলাচল করছে। ফলে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপারে প্রতিযোগিতা লেগে থাকে দুপুর ২টায় ঘাটে পরিদর্শনে দেখা গেছে, বালু মহলের মত কয়েকটি স্তূপে বালু জট। ২টি ট্রাক ২টি স্থানে রেখে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে ঘাটে যাত্রীদের দাঁড়ানো কোন স্থান নেই। ঘাটে বা দিকে একটি অংশে অস্থায়ী নৌকা স্থান করা হয়েছে। এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের
ছিল
উপচে
পড়া
ভীড়। কোন নৌকা না থাকায় কেউ বসে, কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ বা আশে পাশে আলাপচারিতা ব্যস্ত ছিলেন। ছোট একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা আসা মাত্রই অপেক্ষারত যাত্রীরা উঠতে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। ফলে নৌকা ডুবে যাবার মত অবস্থা সৃষ্টি হয়। এর কিছুক্ষণ পর আরেকটি নৌকা আসলে, অপেক্ষামান শিক্ষার্থীরা আবারো হুড়োহুড়ি করে উঠে। ফলে প্রতিনিয়ত এভাবে পারাপার হন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে। এক শিক্ষার্থীর কাছে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী জানান, ঘাট আগে চেয়ে অনেক খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে, জেটি বাঙ্গা নেই কোন উদ্যোগ ইজারাদারদের মেরামত করার যাত্রী উঠতে নামতে নানা সমস্যা পড়তে হয় । নৌকা মাঝিরা আমাদের কাছে ৫টাকা নেয়, আবার ঘাটে ১টাকা নেয়, শুক্রবার হলে ঘাটে নেয় জন প্রতি ২ টাকা। তার মধ্যে ঘাটে আশেপাশে বালু উচু করে রেখে যাতায়াতে অসুবিধা সম্মুখিন হতে হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে, শুনতে হয় হুমকি তাই ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করেনা বলে জানান কবে শেষ হবে আমাদের এই ভুগান্তির অবসান।ঘাটের লোকজনদের অবহেলা ও একতরফা সিদ্ধান্তে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে ধারণ করেছে। যে কোন সময় বড় ধরণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।ঘাটের ইজারাদার মনির মিয়ার ছোট ভাই অতিরিক্ত বাড়া আদায় করে থাকে বলে জানা যায় এই অসুবিধাগুলো বিষয়ে কার কাছে যাবো, কার কাছে নালিশ করবো? তাই নদী পারাপার হওয়া ভুক্তভুগীদের সবার অনুরুধ মাননীয় মেয়র সাহেবার হস্তক্ষেপ কামনা ও তিনি বিষয়টা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

No comments:
Post a Comment