মালয়েশিয়ায় বিরোধী
দলের আরও পাঁচ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে।
কুয়ালালামপুরের একটি আদালতে গতকাল বুধবার তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা
হয়। তবে সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় দোষী
সাব্যস্ত হলে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। দেশটিতে ক্ষমতাসীন জোট
সরকার সাম্প্রতিক নির্বাচনে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কারচুপির অভিযোগ তোলা ব্যক্তিদের দমন করতেই সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে
ধারণা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে
রয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা তিয়ান চুয়া ও তামরিন ঘাফার এবং তিনজন কর্মী।
তাঁরা ৫ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিবৃতি
দিয়েছিলেন। চুয়ার আইনজীবী এন সুরেন্দ্রন বলেন, ‘অভিযোগ সম্পূর্ণ
ভিত্তিহীন। মনে হচ্ছে, স্বাধীন মতামত প্রকাশ করলেই শাস্তি দেওয়া হবে।’
দেশজুড়ে গত কয়েক দিন হাজার হাজার মানুষের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে চাপের মধ্যে ফেলেছে। আন্দোলনের অভিযোগে গত
সপ্তাহে একজন ছাত্রনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শত শত মানুষ মোমবাতি
জ্বালিয়ে এর প্রতিবাদ জানান। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকারি বাহিনীর
অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অন্যান্য
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন। এএফপি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment