পারস্পরিক মতপার্থক্য কাটিয়ে উঠে সহযোগিতামূলক ‘নতুন সম্পর্ক’ গঠনের
প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। সফররত চীনা প্রেসিডেন্ট শি
জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গত শুক্রবার এক
অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ‘নতুন
মডেল’ গড়ার ডাক দেন ওবামা।
ক্যালিফোর্নিয়ার মরু এলাকায় অবস্থিত নির্জন অবকাশকেন্দ্র র্যাঞ্চো মিরেজে দুই দিনের শীর্ষ বৈঠক শুক্রবার শুরু হয়। প্রথম দিনের বৈঠক শেষে দুই নেতা তাঁদের আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। গতকাল শনিবার দ্বিতীয় দিনের আলোচনার মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হওয়ার কথা। অনানুষ্ঠানিক হলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি দেশের মধ্যে এই শীর্ষ বৈঠক সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। শি জিনপিং গত মার্চে চীনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। জিনপিং নির্বাচিত হওয়ার আড়াই মাসের মধ্যে তাঁর এই সফরকে খোদ ওবামা তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। ওবামা বলেছেন, ‘এত আগেভাগে আমাদের এই বৈঠকে বসার সিদ্ধান্তই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের গুরুত্ব নির্দেশ করে।’ বৈঠকে চীনের ‘শান্তিপূর্ণ উত্থানকে’ ওবামা স্বাগত জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, অন্য বৃহৎ দেশগুলো যেভাবে বিশ্ব অর্থনীতির বিদ্যমান বিধিবিধান মেনে অগ্রসর হচ্ছে চীনকেও তা মেনে চলতে হবে। বৈঠকে ওবামা ও জিনপিংয়ের মধ্যে দুই দেশের মধ্যকার ‘উত্তেজনার ক্ষেত্রগুলো’ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চীনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার অভিযোগ ও বাণিজ্যিক গোয়েন্দাগিরি। এ ছাড়া চীনের মিত্র উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। দুই নেতা মতভেদ দূর করার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ওবামা চীনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গ তুলতে দ্বিধাবোধ করেননি। তবে সংবাদ সম্মেলনে চীনের বিরুদ্ধে সরাসরি এ অভিযোগের তির ছুড়ে দেননি। সতর্কভাবে তিনি সাইবার নিরাপত্তায় দুই দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বক্তৃতায়ও একই সুর লক্ষ করা গেছে। তিনিও দুই দেশের মধ্যে গভীর সহযোগিতার প্রত্যাশা করে বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বড় রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের একটি নতুন মডেল গড়তে পারে। শি জিনপিং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পথের রূপরেখা তৈরি করতেই আমরা বৈঠকে বসেছি।’ প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার কর্তৃত্ব নিয়ে দুই দেশের উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে জিনপিং বলেন, ‘প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো বৃহৎ দেশের (সমস্যা সমাধানের) জন্য সুবিশাল ক্ষেত্র রয়েছে।’ সাইবার হামলা প্রসঙ্গে জিনপিং বলেন, তাঁর দেশও সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে। এ কারণে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে তিনি একসঙ্গে কাজ করার পক্ষে। আগামী সেপ্টেম্বরে রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে ওবামা ও জিনপিংয়ের সম্ভবত এটাই শেষ সাক্ষাৎ। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা জটিলতার কারণে দুই দেশের মধ্যকার অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। ওবামা-জিনপিংয়ের এ আলোচনাকে মূলত এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিবিসি, এএফপি ও রয়টার্স।
ক্যালিফোর্নিয়ার মরু এলাকায় অবস্থিত নির্জন অবকাশকেন্দ্র র্যাঞ্চো মিরেজে দুই দিনের শীর্ষ বৈঠক শুক্রবার শুরু হয়। প্রথম দিনের বৈঠক শেষে দুই নেতা তাঁদের আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। গতকাল শনিবার দ্বিতীয় দিনের আলোচনার মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হওয়ার কথা। অনানুষ্ঠানিক হলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি দেশের মধ্যে এই শীর্ষ বৈঠক সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। শি জিনপিং গত মার্চে চীনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। জিনপিং নির্বাচিত হওয়ার আড়াই মাসের মধ্যে তাঁর এই সফরকে খোদ ওবামা তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। ওবামা বলেছেন, ‘এত আগেভাগে আমাদের এই বৈঠকে বসার সিদ্ধান্তই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের গুরুত্ব নির্দেশ করে।’ বৈঠকে চীনের ‘শান্তিপূর্ণ উত্থানকে’ ওবামা স্বাগত জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, অন্য বৃহৎ দেশগুলো যেভাবে বিশ্ব অর্থনীতির বিদ্যমান বিধিবিধান মেনে অগ্রসর হচ্ছে চীনকেও তা মেনে চলতে হবে। বৈঠকে ওবামা ও জিনপিংয়ের মধ্যে দুই দেশের মধ্যকার ‘উত্তেজনার ক্ষেত্রগুলো’ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চীনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার অভিযোগ ও বাণিজ্যিক গোয়েন্দাগিরি। এ ছাড়া চীনের মিত্র উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। দুই নেতা মতভেদ দূর করার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ওবামা চীনের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গ তুলতে দ্বিধাবোধ করেননি। তবে সংবাদ সম্মেলনে চীনের বিরুদ্ধে সরাসরি এ অভিযোগের তির ছুড়ে দেননি। সতর্কভাবে তিনি সাইবার নিরাপত্তায় দুই দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বক্তৃতায়ও একই সুর লক্ষ করা গেছে। তিনিও দুই দেশের মধ্যে গভীর সহযোগিতার প্রত্যাশা করে বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বড় রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের একটি নতুন মডেল গড়তে পারে। শি জিনপিং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পথের রূপরেখা তৈরি করতেই আমরা বৈঠকে বসেছি।’ প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার কর্তৃত্ব নিয়ে দুই দেশের উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থানের দিকে ইঙ্গিত করে জিনপিং বলেন, ‘প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো বৃহৎ দেশের (সমস্যা সমাধানের) জন্য সুবিশাল ক্ষেত্র রয়েছে।’ সাইবার হামলা প্রসঙ্গে জিনপিং বলেন, তাঁর দেশও সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে। এ কারণে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে তিনি একসঙ্গে কাজ করার পক্ষে। আগামী সেপ্টেম্বরে রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে ওবামা ও জিনপিংয়ের সম্ভবত এটাই শেষ সাক্ষাৎ। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা জটিলতার কারণে দুই দেশের মধ্যকার অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। ওবামা-জিনপিংয়ের এ আলোচনাকে মূলত এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিবিসি, এএফপি ও রয়টার্স।
No comments:
Post a Comment