দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা গত কয়েক বছরে
যক্ষ্মা, ফুসফুসের সংক্রমণ, প্রোস্টেটের সমস্যাসহ নানা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত
জটিলতায় ভুগেছেন। তাঁর এসব অসুস্থতার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
ফুসফুসের সমস্যা: ১৯৮৮ সালের ঘটনা। বর্ণবাদী সরকারের আমল। ম্যান্ডেলা তখন কেপটাউন কারাগারে ২৭ বছরের দণ্ড ভোগ করছিলেন। দুর্বলতা ও কাশিতে আক্রান্ত হলে তাঁকে কেপটাউনের কাছে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ম্যান্ডেলার শরীরে যক্ষ্মা ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা তাঁর বক্ষপিঞ্জর থেকে প্রায় দুই লিটার তরল পদার্থ বের করেন। চার মাস চিকিৎসার পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ফুসফুসের সংক্রমণজনিত সমস্যায় ম্যান্ডেলাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ডিসেম্বরে ম্যান্ডেলা আবার হাসপাতালে ভর্তি হন। ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া ছাড়াও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর পিত্তথলি থেকে পাথর অপসারণ করা হয়। তিন সপ্তাহ পর স্থিতিশীল অবস্থায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৭ মার্চ আবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি প্রোস্টেট: ১৯৮৫ সালে ম্যান্ডেলার প্রোস্টেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। ২০০১ সালে প্রোস্টেট ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। পরের বছর তিনি পুরোপুরি ক্যানসারের ঝুঁকিমুক্ত বলে জানানো হয়।
পাকস্থলী: ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তলপেটে ব্যথা নিয়ে এক রাত হাসপাতালে ছিলেন ম্যান্ডেলা। তখন তাঁর ল্যাপারোস্কোপি পরীক্ষা করা হয়। চোখ: রোবেন দ্বীপে নির্বাসনে থাকার সময় ম্যান্ডেলাকে পাথর ভাঙার কাজ করতে হতো। দিনের পর দিন পাথরের অতিক্ষুদ্র কণা তাঁর চোখে ঢোকে। এতে তাঁর চোখে সমস্যা দেখা দেয়। ১৯৯৪ সালে ম্যান্ডেলার চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। এএফপি।
ফুসফুসের সমস্যা: ১৯৮৮ সালের ঘটনা। বর্ণবাদী সরকারের আমল। ম্যান্ডেলা তখন কেপটাউন কারাগারে ২৭ বছরের দণ্ড ভোগ করছিলেন। দুর্বলতা ও কাশিতে আক্রান্ত হলে তাঁকে কেপটাউনের কাছে একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ম্যান্ডেলার শরীরে যক্ষ্মা ধরা পড়ে। চিকিৎসকেরা তাঁর বক্ষপিঞ্জর থেকে প্রায় দুই লিটার তরল পদার্থ বের করেন। চার মাস চিকিৎসার পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে ফুসফুসের সংক্রমণজনিত সমস্যায় ম্যান্ডেলাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ডিসেম্বরে ম্যান্ডেলা আবার হাসপাতালে ভর্তি হন। ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া ছাড়াও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর পিত্তথলি থেকে পাথর অপসারণ করা হয়। তিন সপ্তাহ পর স্থিতিশীল অবস্থায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৭ মার্চ আবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি প্রোস্টেট: ১৯৮৫ সালে ম্যান্ডেলার প্রোস্টেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। ২০০১ সালে প্রোস্টেট ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। পরের বছর তিনি পুরোপুরি ক্যানসারের ঝুঁকিমুক্ত বলে জানানো হয়।
পাকস্থলী: ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তলপেটে ব্যথা নিয়ে এক রাত হাসপাতালে ছিলেন ম্যান্ডেলা। তখন তাঁর ল্যাপারোস্কোপি পরীক্ষা করা হয়। চোখ: রোবেন দ্বীপে নির্বাসনে থাকার সময় ম্যান্ডেলাকে পাথর ভাঙার কাজ করতে হতো। দিনের পর দিন পাথরের অতিক্ষুদ্র কণা তাঁর চোখে ঢোকে। এতে তাঁর চোখে সমস্যা দেখা দেয়। ১৯৯৪ সালে ম্যান্ডেলার চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। এএফপি।
No comments:
Post a Comment