শীর্ষ গোয়েন্দা
কর্মকর্তার পর এবার স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর সরকারের
টেলিফোন ও ইন্টারনেট নজরদারির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় গত শুক্রবার বারাক ওবামা সাংবাদিকদের
কাছে নাগরিকের ফোন রেকর্ড করা ও ইন্টারনেট থেকে ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে
সংগ্রহ করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। ওবামা বলেন, এর মাধ্যমে তাঁর প্রশাসন
নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে ‘সঠিক ভারসাম্য’ নিশ্চিত করেছে। ওবামা বলেন, ‘আপনি নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চয়তা পাবেন না;
একইভাবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তারও শতভাগ নিশ্চয়তা পাবেন না। শূন্যমাত্রার
বিড়ম্বনাও উপভোগ করার অবকাশ নেই।’ এর আগে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের
প্রধান জেমস ক্ল্যাপার এক কড়া ভাষার বিবৃতিতে নজরদারি কার্যক্রমের খবর
প্রকাশকে ‘এখতিয়ারবহির্ভূত উন্মোচন’ বলে আখ্যায়িত করেন। এদিকে মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তা
নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে বলেছেন, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা
এফবিআই, বিচার বিভাগসহ বেশ কয়েকটি সংস্থা একটি ফৌজদারি তদন্তে নামতে
যাচ্ছে। এই তদন্তের মাধ্যমে সরকারের অতি গোপনীয় কার্যক্রম কে বা কারা
গণমাধ্যমের কাছে ফাঁস করেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে যুক্তরাজ্যের গার্ডিয়ান পত্রিকা বৃহস্পতিবার এক খবরে
জানায়, মার্কিন একটি আদালতের গোপন আদেশে দেশটির মুঠোফোন কোম্পানি
ভেরিজোনকে গ্রাহকদের ইলেকট্রনিক তথ্য-উপাত্ত ‘দৈনন্দিন ভিত্তিতে’ হস্তান্তর
করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ শুক্রবার
বলেছেন, সরকারের কোনো এজেন্সি বা আদালত তাঁদের গ্রাহকদের তথ্য দেওয়ার
নির্দেশ দেননি। প্রিজম নামের কোনো কার্যক্রমের কথাও তিনি আগে শোনেননি।
বিবিসি, এএফপি ও রয়টার্স।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment