২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে বাজে পারফরমেন্স বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের। এবার তাদের সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ২০১৫ সালের ওয়ানডে
বিশ্বকাপ। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এই বিশ্বকাপে
বাংলাদেশের জন্য সব চয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশ দু’টির পেস সহায়ক উইকেট ও
বাংলাদেশের বিপরীত আবহাওয়া। ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তুত
হতে অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই দেশে সিরিজ খেলার সুযোগ
নেই। তাই সেই কন্ডিশনে প্রস্তুতি তাহলে বাংলাদেশের জন্য এমন উইকেটে সাফল্য
অনেকটা দূরূহ বিষয়। কিন্তু এর জন্য বিকল্প কি হতে পারে? আপাততো দেশের
মাটিতেই দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মতো একটি প্রস্তুতি নেয়া যেতে পারে বলেই
মনে করেন বিসিবি পরিচালক ও ফ্যাসিলিটিস বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরী ও
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। তানজিল চৌধুরী বলেন, ‘আসলে
আমাদের এই বিষয়ে যে ধরনের আগাম পরিকল্পনা দেয়ার দরকার ছিল তা করতে ব্যর্থ
হয়েছে ক্রিকেট আপারেশন্স বিভাগ। কিন্তু এখনও দেশের মধ্যে কিছু মাঠে
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের মতো ঘাসের উইকেট তৈরি করে এখন থেকে খেলা শুরু
করা যেতে পারে।’ অন্যদিকে খালেদ মাসুদ পাইলটও একই সুরে বলেন, ‘আমাদের
বগুড়া, রাজশাহী, খুলনার উইকেটগুলোকে আমরা কাজে লাগাতে পারি। সেখানে আমরা
অন্তত পুরোপুরি না হলে নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মতো উইকেট বানিয়ে
ভালভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি। এজন্য বিসিবি’র উচিত গ্রাউন্ডস কমিটির হাতে
বিষয়গুলো ছেড়ে দেয়া। তারাই এই ধরনের উইকেট তৈরি করে দিতে পারবে।’
বিপিএল নতুন রূপে হওয়া উচিত- তানজিল চৌধুরী
এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে বিপিএল টি-টোয়েন্টির তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হতে পারে ডিসেম্বর থেকে জানুযারির মধ্যে। কিন্তু বিশ্বকাপ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এমন অবস্থায় ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বিপিএল টি-টোয়েন্টি খেলে ক্রিকেটাররা কতটা সুফল পাবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপে তা নিয়ে রয়েছে পক্ষে-বিপক্ষে না না আলোচনা-সমালোচনা। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় এখন বিপিএল-এর মাথায় ফিক্সিং ছাড়াও ক্রিকেটারদের পাওনা পরিশোধসহ নানা বিতর্ক কালোমেঘের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে এই মুহূর্তে বিপিএল আয়োজন কতটা সুখকর হতে পারে? এই বিষয়ে বিসিবি পরিচালক তানজিল চৌধুরী বলেন, ‘আসলে বিপিএল হলে খুব খারাপ হবে তেমন না। আর ফরমেটটাও খুব বেশি সমস্যা হওয়ার কথা না।
বিপিএল নতুন রূপে হওয়া উচিত- তানজিল চৌধুরী
এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে বিপিএল টি-টোয়েন্টির তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হতে পারে ডিসেম্বর থেকে জানুযারির মধ্যে। কিন্তু বিশ্বকাপ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এমন অবস্থায় ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বিপিএল টি-টোয়েন্টি খেলে ক্রিকেটাররা কতটা সুফল পাবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপে তা নিয়ে রয়েছে পক্ষে-বিপক্ষে না না আলোচনা-সমালোচনা। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় এখন বিপিএল-এর মাথায় ফিক্সিং ছাড়াও ক্রিকেটারদের পাওনা পরিশোধসহ নানা বিতর্ক কালোমেঘের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে এই মুহূর্তে বিপিএল আয়োজন কতটা সুখকর হতে পারে? এই বিষয়ে বিসিবি পরিচালক তানজিল চৌধুরী বলেন, ‘আসলে বিপিএল হলে খুব খারাপ হবে তেমন না। আর ফরমেটটাও খুব বেশি সমস্যা হওয়ার কথা না।

আমাদের
সমস্যা অন্য জায়গাতে। তাহলো বিপিএল যদি করতেই হয় তাহলে নতুনভাবে করা উচিত।
এখনও ফিক্সিংয়ের মালমলাটি শেষ হয়নি, ক্রিকেটারদের নানা পাওনা রয়েছে, শুধু
তাই না আরও নানা রকম পাওনার দায়ে জর্জরিত ও বিতর্কিত বিপিএল। তাই আমি মনে
করি এসব সমস্যা দূর করেই বিপিএল আয়োজন করা উচিত তাও নতুন রুপে।’ অন্যদিকে
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন ‘এটাতো সত্যি যে, বাংলাদেশ
বিশ্বকাপ-২০১৫ সালে খেলতে পাবে অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডে। আমরা কোনরকম
প্রস্তুতি ছাড়া সেখানে গিয়ে কোনভাবেই ভাল করতে পারবো না। এরই আমি মনে করি
আমাদের যে কোনভাবেই হোক অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে খেলার ব্যবস্থা করা। আর
তার সঙ্গে সঙ্গে দেশের গ্রাউন্ড কমিটির মাধ্যমে বেশ কিছু উইকেট
অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মতো করে তৈরী করে সেখানে খেলা আয়োজন করা। এইটা
করা হলে পেসাররা ও ব্যাটসম্যানরা কিছুটা হলেও সুবিধা নিতে পারবে।’
বিপিএল আত্মবিশ্বাস বাড়াবে- খালেদ মাসুদ পাইলট
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ মনে করেন প্রস্তুতিটা আসলে নিতে হবে আমাদের। তিনি বলেন, ‘তাই বিপিএল খেলে নিলে যে খুব ক্ষতি হবে তাও না। কারণ আমরা টিমটাকে কিভাবে দাঁড় করাবো সেটাই আসল। দেখেন ২০১২ সালের এশিয়া কাপের আগে আমরা বিপিএল খেলেছি। আর তার সুফল কিন্তু এশিয়া কাপে পেয়েছিলাম। দল রানার্স আপ হয়েছে। বিপএল হলে এখানে অনেক দেশের ক্রিকেটারের আসার সুযোগ রয়েছে। আর একটি প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট খেললে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসটাও বেশ বাড়বে। ওয়ানডে সঙ্গে এখানে পার্থক্য শুধু ওভারে। এখানে শট বেশি খেলতে হয় আর সেখানে কম খেললেও চলে। বিপএল হলে খারাপ হবে বলে মনে হয় না
বিপিএল আত্মবিশ্বাস বাড়াবে- খালেদ মাসুদ পাইলট
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ মনে করেন প্রস্তুতিটা আসলে নিতে হবে আমাদের। তিনি বলেন, ‘তাই বিপিএল খেলে নিলে যে খুব ক্ষতি হবে তাও না। কারণ আমরা টিমটাকে কিভাবে দাঁড় করাবো সেটাই আসল। দেখেন ২০১২ সালের এশিয়া কাপের আগে আমরা বিপিএল খেলেছি। আর তার সুফল কিন্তু এশিয়া কাপে পেয়েছিলাম। দল রানার্স আপ হয়েছে। বিপএল হলে এখানে অনেক দেশের ক্রিকেটারের আসার সুযোগ রয়েছে। আর একটি প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট খেললে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসটাও বেশ বাড়বে। ওয়ানডে সঙ্গে এখানে পার্থক্য শুধু ওভারে। এখানে শট বেশি খেলতে হয় আর সেখানে কম খেললেও চলে। বিপএল হলে খারাপ হবে বলে মনে হয় না
No comments:
Post a Comment