ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়
বিচারিক আদালতে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন
খালেদা জিয়ার রিভিশন আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছে হাইকোর্টে। বৃহস্পতিবার
পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছেন আদালত।

বুধবার
বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে
শুনানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের শুনানিতে অংশ নেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী
খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী। উপস্থিত
ছিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও
ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল
মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সেলিম।
গত রোববার হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। চার্জ গঠন করা হয় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মামলা দু’টির অপর ৮ আসামির বিরুদ্ধেও।
ওইদিন খালেদার উপস্থিতিতে মামলা দু’টির চার্জ শুনানি শেষে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা তৃতীয় ও বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। মামলা দু’টির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।
ওই দিন চার্জ শুনানিতে খালেদার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে এর আগেও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৪১ বার ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১১ বার চার্জ শুনানির জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া।
চার্জগঠনের পর পরই এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তার অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, এ আদালতের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই। আমরা ন্যায়বিচার পাবো না। সুতরাং আমরা এ কোর্টে কোনো মামলা করবো না।
রোববার অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন দায়েরের পর খালেদার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এ মামলাগুলোতে খালেদা জিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কাগজপত্রে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। এছাড়াও গত ১৯ মার্চ ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠনের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেননি। খালেদা জিয়ার অব্যাহতির আবেদনের ওপর কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই খাসকামরায় বসে যে অভিযোগ গঠন করেছেন তা নজিরবিহীন এবং আইনসম্মত নয়। আইন অনুযায়ী অভিযোগ গঠনের বিষয়ে খালেদা জিয়াকে নির্দোষ কিংবা দোষী কিনা তা জিজ্ঞেস না করে নিজস্ব কক্ষে বসে আদালতের কর্মচারীর মাধ্যমে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে মর্মে আদালতে সকলকে অবহিত করেন। এটা ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি আরো বলেন, হাইকোর্টে দায়ের করা রিভিশন আবেদনে ১০ জন আইনজীবী বলেছেন, চার্জ গঠনের আগে অব্যাহতি আবেদনের ওপরে কোনো শুনানি হয়নি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদও আবেদনে যুক্ত করা হয়।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট
২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।
মামলার অভিযোগ বলা হয়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।
জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খান।
২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান। ১৭ জানুয়ারি খালেদা জিয়া ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জামিননামা দাখিল করেন।
মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব, বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান জামিনে আছেন। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।
তারেক রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। তবে শরফুদ্দিন আহমেদ আদালতে হাজির না থাকায় ১৯ মার্চ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
অপর দুই আসামি ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
মামলাটি তদন্ত করে দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ অপর চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
গত রোববার হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। চার্জ গঠন করা হয় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মামলা দু’টির অপর ৮ আসামির বিরুদ্ধেও।
ওইদিন খালেদার উপস্থিতিতে মামলা দু’টির চার্জ শুনানি শেষে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা তৃতীয় ও বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। মামলা দু’টির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।
ওই দিন চার্জ শুনানিতে খালেদার আইনজীবীদের সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে এর আগেও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৪১ বার ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১১ বার চার্জ শুনানির জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া।
চার্জগঠনের পর পরই এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। তার অন্যতম আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, এ আদালতের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই। আমরা ন্যায়বিচার পাবো না। সুতরাং আমরা এ কোর্টে কোনো মামলা করবো না।
রোববার অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন দায়েরের পর খালেদার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এ মামলাগুলোতে খালেদা জিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কাগজপত্রে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। এছাড়াও গত ১৯ মার্চ ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠনের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেননি। খালেদা জিয়ার অব্যাহতির আবেদনের ওপর কোনো ধরনের শুনানি ছাড়াই খাসকামরায় বসে যে অভিযোগ গঠন করেছেন তা নজিরবিহীন এবং আইনসম্মত নয়। আইন অনুযায়ী অভিযোগ গঠনের বিষয়ে খালেদা জিয়াকে নির্দোষ কিংবা দোষী কিনা তা জিজ্ঞেস না করে নিজস্ব কক্ষে বসে আদালতের কর্মচারীর মাধ্যমে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে মর্মে আদালতে সকলকে অবহিত করেন। এটা ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি আরো বলেন, হাইকোর্টে দায়ের করা রিভিশন আবেদনে ১০ জন আইনজীবী বলেছেন, চার্জ গঠনের আগে অব্যাহতি আবেদনের ওপরে কোনো শুনানি হয়নি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদও আবেদনে যুক্ত করা হয়।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট
২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।
মামলার অভিযোগ বলা হয়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।
জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খান।
২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান। ১৭ জানুয়ারি খালেদা জিয়া ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে জামিননামা দাখিল করেন।
মামলায় অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব, বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান জামিনে আছেন। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।
তারেক রহমান সরকারের নির্বাহী আদেশে দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। তবে শরফুদ্দিন আহমেদ আদালতে হাজির না থাকায় ১৯ মার্চ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
অপর দুই আসামি ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
মামলাটি তদন্ত করে দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ অপর চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
No comments:
Post a Comment