সকালে নাশতা খাওয়ার সময় একে অন্যের হাত ধরে থাকতেন তাঁরা। বিয়ের ৭০ বছরে
একটি দিনও এর ব্যতিক্রম হয়নি। ভ্রমণের সময় এক আসনেই দুজন ভাগাভাগি করে
ঘুমাতেন। তবু কেউ কারও থেকে আলাদা ঘুমাবেন না। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে
একসময়ে তাঁদের আলাদা হতেই হলো। ১২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়োর নাসপোর্টে
স্ত্রী হেলেন ফেলামলি ৯২ বছর বয়সে মারা যান। গভীর প্রেমের কারণে প্রকৃতিও
বেশিক্ষণ আলাদা রাখতে চায়নি তাঁদের।

১৫
ঘণ্টা পরে পরদিন সকালেই মারা যান স্বামী কেনেথ ফেলামলি। তাঁর বয়স ছিল ৯১।
দুজনে রেখে যান তাঁদের ভালোবাসার চিহ্ন আট সন্তানকে। আর সন্তানেরা বাঁচিয়ে
রেখেছেন তাঁদের ভালোবাসার গল্পকে। এনডিটিভিতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে,
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকিতে ওহাইয়ো নদীর পাড়ে প্রথম দেখা হয়েছিল হেলেন ও
কেনেথের। সময়টা ১৯৪৪ সাল। দিনটি ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি। কেনেথের ২১তম জন্মদিনে
বিয়ে হয় দুজনের। সেই থেকে শুরু একসঙ্গে পথচলা। আর সেই পথের শেষও হলো
একসঙ্গেই।
মেয়ে লিন্ডা কোডি বলেছেন, মা যখন চলে গেলেন জানতাম বাবারও যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। স্ত্রী হেলেন মারা যাওয়ার পরে স্তব্ধ ছিলেন কেনেথ। সন্তানদের শুধু বলতে পেরেছিলেন, ‘মা আর নেই।’ এরপরই তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। তাঁকে ফ্যাকাশে দেখায়। শয্যাশায়ী হয়ে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘিরে রাখেন। ছেলে ডিক ফেলামলি বলেন, ‘বাবার পাশে থেকে আমরা তাঁকে পছন্দের গান শুনিয়েছি, বাইবেল পড়েছি, প্রার্থনা করেছি। আমরা জানতাম, বাবা মায়ের কাছে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।’
অনেক কষ্ট করেই সংসার চালাতে হয় হেলেন আর কেনেথকে। কিন্তু তাঁদের সংসার ছিল ভালোবাসায় ভরা। কোনো কঠিন সময়েই কেউ কারও হাত ছাড়েননি। কেনেথ গাড়ির পরিদর্শক ছিলেন। সেই সঙ্গে গাড়ি মেরামতের কাজও করতেন তিনি। পরে তিনি নাসপোর্ট পোস্ট অফিসে চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। রোববারও ছুটি কাটাতেন না কেনেথ। নাসপোর্টের ইউনাইটেড মেথোডিস্ট চার্চের স্কুলে পড়াতেন তিনি। স্ত্রী হেলেন থাকতেন বাড়িতে। সংসারের সব কাজই করতে হতো তাঁকে। শুধু নিজের সংসারের কাজ নয় এলাকার আশপাশের বাড়ির কাজও করে দিতেন তিনি। রোববার ছুটি থাকতো না হেলেনেরও। সেদিন স্কুলে পড়াতেন তিনি। তবে হেলেন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিলেন শুভেচ্ছা বার্তা লেখার জন্য। বিভিন্ন কার্যালয়ে, জন্মদিনে, শোকের অনুষ্ঠানে ও ছুটির দিনে শুভেচ্ছা কার্ড বানাতেন হেলেন। তার মধ্যে চমত্কার সব চিঠিও লিখতেন।
১৯৮৩ সালে কাজ থেকে অবসর নেন কেনেথ। তখন সংসারের দায়িত্বও কমে যায় হেলেনের। এ সময় দুজনে শুরু করেন ভ্রমণ। বাসে করে প্রায় ৫০টি শহরে ঘুরে বেড়ান দুজনে। ছেলে জিম ফিলামলি জানান, বাবা কেনেথ বাসে ঘুরতেই পছন্দ করতেন। বাবার যুক্তি ছিল বিমানে করে ঘুরলে আশপাশের কিছুই তিনি দেখতে পাবেন না। জিম আরও জানান, সম্প্রতি দুজনের কারোরই শরীর ভালো যাচ্ছিল না। তবে তাঁরা একে অন্যকে ভালো রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।
মেয়ে লিন্ডা কোডি বলেছেন, মা যখন চলে গেলেন জানতাম বাবারও যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। স্ত্রী হেলেন মারা যাওয়ার পরে স্তব্ধ ছিলেন কেনেথ। সন্তানদের শুধু বলতে পেরেছিলেন, ‘মা আর নেই।’ এরপরই তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। তাঁকে ফ্যাকাশে দেখায়। শয্যাশায়ী হয়ে যান তিনি। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঘিরে রাখেন। ছেলে ডিক ফেলামলি বলেন, ‘বাবার পাশে থেকে আমরা তাঁকে পছন্দের গান শুনিয়েছি, বাইবেল পড়েছি, প্রার্থনা করেছি। আমরা জানতাম, বাবা মায়ের কাছে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।’
অনেক কষ্ট করেই সংসার চালাতে হয় হেলেন আর কেনেথকে। কিন্তু তাঁদের সংসার ছিল ভালোবাসায় ভরা। কোনো কঠিন সময়েই কেউ কারও হাত ছাড়েননি। কেনেথ গাড়ির পরিদর্শক ছিলেন। সেই সঙ্গে গাড়ি মেরামতের কাজও করতেন তিনি। পরে তিনি নাসপোর্ট পোস্ট অফিসে চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। রোববারও ছুটি কাটাতেন না কেনেথ। নাসপোর্টের ইউনাইটেড মেথোডিস্ট চার্চের স্কুলে পড়াতেন তিনি। স্ত্রী হেলেন থাকতেন বাড়িতে। সংসারের সব কাজই করতে হতো তাঁকে। শুধু নিজের সংসারের কাজ নয় এলাকার আশপাশের বাড়ির কাজও করে দিতেন তিনি। রোববার ছুটি থাকতো না হেলেনেরও। সেদিন স্কুলে পড়াতেন তিনি। তবে হেলেন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিলেন শুভেচ্ছা বার্তা লেখার জন্য। বিভিন্ন কার্যালয়ে, জন্মদিনে, শোকের অনুষ্ঠানে ও ছুটির দিনে শুভেচ্ছা কার্ড বানাতেন হেলেন। তার মধ্যে চমত্কার সব চিঠিও লিখতেন।
১৯৮৩ সালে কাজ থেকে অবসর নেন কেনেথ। তখন সংসারের দায়িত্বও কমে যায় হেলেনের। এ সময় দুজনে শুরু করেন ভ্রমণ। বাসে করে প্রায় ৫০টি শহরে ঘুরে বেড়ান দুজনে। ছেলে জিম ফিলামলি জানান, বাবা কেনেথ বাসে ঘুরতেই পছন্দ করতেন। বাবার যুক্তি ছিল বিমানে করে ঘুরলে আশপাশের কিছুই তিনি দেখতে পাবেন না। জিম আরও জানান, সম্প্রতি দুজনের কারোরই শরীর ভালো যাচ্ছিল না। তবে তাঁরা একে অন্যকে ভালো রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।
No comments:
Post a Comment