ইরানের নারীরা এখনও বৈষম্যের শিকার ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে
প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হলেও, সার্বজনীনভাবে ‘দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক’
হিসাবে তারা বিবেচিত হন না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান
রুহানি। ইরানে নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সামাজিক
পরিমণ্ডলে নারীর জন্য আরও বেশি স্বাধীনতা ও অধিকার সুনিশ্চিত করার বিষয়ে
জোর দেন তিনি। তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর একটিও ছিল এটি।

রুহানি
বলেন, ইসলামের মানদণ্ডের ভিত্তিতেই আমরা পুরুষকে প্রথম বা নারীকে দ্বিতীয়
লিঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করি না। তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে তারা উভয়ই
সমমর্যাদার অধিকারী এবং কেউই শ্রেষ্ঠ নয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব
ইন্ডিয়া। তিনি বলেন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও অনেক কাজ করতে হবে।
কিন্তু, পশ্চিমা বিশ্ব এমন কোন মডেল উপস্থাপন করেনি, যাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে
অনুসরণ করা যায় বলে মন্তব্য করেন রুহানি। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কয়েকজন নারী বন্দিকে ক্ষমা করে দেয়া এবং কয়েক নারীর
শাস্তির মেয়াদ হ্রাসের বিষয়টিতে একমত হওয়ার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট এ
বক্তব্য দিলেন।
No comments:
Post a Comment