সরকারের দুর্নীতি-দুঃশাসন দেশের মানুষ আর
বেশি দিন সহ্য করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা
জিয়া। আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে শ্রমিক দলের ষষ্ঠ কাউন্সিলে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে
বলেন, এই এ অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আগামীতে কঠোর আন্দোলন করতে হবে।
১৫৩
জন এমপি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে
ভোট কেন্দ্রে নিজেরাই সীল মেরেছে। ৫৭টি কেন্দ্রে কোন ভোটই পড়েনি। সীল
মারারও লোক পায়নি। প্রার্থীরা নিজেরাও বোধ হয় ভোট দেয়নি। তাহলে কী তাদের
নির্বাচিত বলা যায়? প্রশ্ন রেখে ১৮ দলীয় জোট নেত্রী বলেন, সংসদের স্পিকার
যে আছে তিনিও জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন। তাহলে এটা কিসের সংসদ! জনগণের টাকা
খরচ করে এখানে শুধু গালাগালি হয়। ৫ই জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয় নি মন্তব্য
করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র আজ মৃত।
ভোটের যে চিত্র টিভিতে দেখানো হয়েছে তাতে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে এটা
পরিস্কার হয়েছে ৫ই জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয়নি। এই অবৈধ সরকার জানে ক্ষমতা
ছেড়ে নির্বাচন দিলে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা কখনও ক্ষমতায় আসতে পারবে না।
তাদের থেকে মানুষ দূরে সরে গেছে। তাই তারা নির্বাচন দেয়নি। দেশের মানুষ
জানে আওয়ামী লীগের অধীনে অতীতে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয় নি। আগামীতেও হবে
না। দলটি এতো খারাপ অবস্থায় চলে গেছে যে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী, র্যাব,
পুলিশ, বিজিবি একসঙ্গে সহযোগী হয়ে কাজ করেছে। প্রশাসনকে সরকার দলীয়করণ করে
ধ্বংস করেছে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, সিভিল প্রশাসনে একের পর নিজেদের
লোকদের প্রমোশন দেয়া হয়েছে। তাদের কোন যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নেই। ফলে কাজ
হচ্ছে না। প্রশাসন আজ স্থবির। একইভাবে দলীয়করণ করে পুলিশ বাহিনীকে নষ্ট করা
হয়েছে। এই বাহিনীকে দলীয় অন্যায় কাজে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগ। এদেশের
প্রতি তাদের কোন মায়া মমতা নেই। দেশকে নষ্ট করার জন্য তারা ক্ষমতায় বসেছে।
দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, গাজীপুরে
২৪ ঘন্টায় ১০ খুন হয়েছে। প্রতিদিনই খালে-বিলে, নদীতে যেখানে-সেখানে পাওয়া
যাচ্ছে লাশ। কোন বৈধ দেশপ্রেমিক সরকার নিজের দেশের মানুষকে এভাবে হত্যা
করতে পারে না। সোনার ছেলেরা এখন ক্ষমতায় বসেছে তাই সোনা চোরাচালানে ভরে
গেছে দেশ। এই সোনাগুলো যাচ্ছে কোথায়? প্রশ্ন রাখেন খালেদা জিয়া। এসময় দেশে
অবৈধ অস্ত্র, গুম, খুন-খারাবির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। শ্রমিক দলের
কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, অবৈধ সরকারের
বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য ত্যাগী, সাহসী নেতা দরকার। সেরকম নেতৃবৃন্দকে
কমিটিতে রাখার আহবান জানান তিনি। আগামীতে নবীন-প্রবীনের সমন্বয়ে দেশব্যাপি
কমিটি করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
১৫৩
জন এমপি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে
ভোট কেন্দ্রে নিজেরাই সীল মেরেছে। ৫৭টি কেন্দ্রে কোন ভোটই পড়েনি। সীল
মারারও লোক পায়নি। প্রার্থীরা নিজেরাও বোধ হয় ভোট দেয়নি। তাহলে কী তাদের
নির্বাচিত বলা যায়? প্রশ্ন রেখে ১৮ দলীয় জোট নেত্রী বলেন, সংসদের স্পিকার
যে আছে তিনিও জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন। তাহলে এটা কিসের সংসদ! জনগণের টাকা
খরচ করে এখানে শুধু গালাগালি হয়। ৫ই জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয় নি মন্তব্য
করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র আজ মৃত।
ভোটের যে চিত্র টিভিতে দেখানো হয়েছে তাতে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে এটা
পরিস্কার হয়েছে ৫ই জানুয়ারি কোন নির্বাচন হয়নি। এই অবৈধ সরকার জানে ক্ষমতা
ছেড়ে নির্বাচন দিলে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা কখনও ক্ষমতায় আসতে পারবে না।
তাদের থেকে মানুষ দূরে সরে গেছে। তাই তারা নির্বাচন দেয়নি। দেশের মানুষ
জানে আওয়ামী লীগের অধীনে অতীতে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয় নি। আগামীতেও হবে
না। দলটি এতো খারাপ অবস্থায় চলে গেছে যে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী, র্যাব,
পুলিশ, বিজিবি একসঙ্গে সহযোগী হয়ে কাজ করেছে। প্রশাসনকে সরকার দলীয়করণ করে
ধ্বংস করেছে মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, সিভিল প্রশাসনে একের পর নিজেদের
লোকদের প্রমোশন দেয়া হয়েছে। তাদের কোন যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নেই। ফলে কাজ
হচ্ছে না। প্রশাসন আজ স্থবির। একইভাবে দলীয়করণ করে পুলিশ বাহিনীকে নষ্ট করা
হয়েছে। এই বাহিনীকে দলীয় অন্যায় কাজে ব্যবহার করছে আওয়ামী লীগ। এদেশের
প্রতি তাদের কোন মায়া মমতা নেই। দেশকে নষ্ট করার জন্য তারা ক্ষমতায় বসেছে।
দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, গাজীপুরে
২৪ ঘন্টায় ১০ খুন হয়েছে। প্রতিদিনই খালে-বিলে, নদীতে যেখানে-সেখানে পাওয়া
যাচ্ছে লাশ। কোন বৈধ দেশপ্রেমিক সরকার নিজের দেশের মানুষকে এভাবে হত্যা
করতে পারে না। সোনার ছেলেরা এখন ক্ষমতায় বসেছে তাই সোনা চোরাচালানে ভরে
গেছে দেশ। এই সোনাগুলো যাচ্ছে কোথায়? প্রশ্ন রাখেন খালেদা জিয়া। এসময় দেশে
অবৈধ অস্ত্র, গুম, খুন-খারাবির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। শ্রমিক দলের
কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেন, অবৈধ সরকারের
বিরুদ্ধে আন্দোলন করার জন্য ত্যাগী, সাহসী নেতা দরকার। সেরকম নেতৃবৃন্দকে
কমিটিতে রাখার আহবান জানান তিনি। আগামীতে নবীন-প্রবীনের সমন্বয়ে দেশব্যাপি
কমিটি করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
No comments:
Post a Comment