রানা প্লাজার তিন তলায় কাজ করতেন সাভার পৌর এলাকার কোটবাড়ি মহল্লার চাঁন
মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী শীলা বেগম (২২)। গত বছরের ২৪ এপ্রিল ভবনধসের পর
থেকেই তিনি নিখোঁজ। অশনাক্ত মরদেহগুলোর মধ্যে শীলা আছেন কি না, তা জানতে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা দিয়েও তাঁর মৃত্যু হয়েছে
কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শীলা নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে চাঁন মিয়া
তাঁর প্রথম স্ত্রী নার্গিসের সঙ্গে থাকেন।

খোঁজ
রাখেন না শীলার একমাত্র সন্তান সৌরভের। সৌরভ থাকে তার চাচি পারভীন
আক্তারের কাছে। পারভীন বলেন, ঘটনার দিন সকালে শীলা বাসা থেকে বের হন।
ভবনধসের পর তাঁরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এর পর উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার দিন
পর্যন্ত সাভার অধর চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় ও ঘটনাস্থলসহ বিভিন্ন হাসপাতাল চষে
বেড়িয়েছেন। এর পরও শীলার কোনো খোঁজ পাননি তাঁরা। তিনি জানান, শীলার খোঁজ না
পাওয়ার কারণে তাঁর একমাত্র ছেলে সৌরভ সরকারি কোনো সহায়তাও পায়নি। তবে
বিকাশের মাধ্যমে ৯০ হাজার টাকা পেলেও ওই টাকা তার বাবা চাঁন মিয়া নিয়ে
গেছেন। সাভার পৌর এলাকার ভাটপাড়া মহল্লার কাশেম আলীর ছেলে আফজাল হোসেনের
পরিবারও তার কোনো খোঁজ আজ পর্যন্ত পায়নি। নিখোঁজ আফজালের মা সালমা বেগম
বলেন, তাঁর দুই ছেলে আফজাল ও উজ্জ্বল রানা প্লাজার একটি পোশাক কারখানায় কাজ
করতেন। ঘটনার দিন সকালে তাঁরা একসঙ্গে কাজে যান। ঘটনার কয়েকদিন পর লাশ হয়ে
উজ্জ্বল ঘরে ফিরলেও আফজালের খোঁজ এখনো মেলেনি। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা
দিয়েও আফজালের কোনো সন্ধান পাননি তাঁরা। ফলে তাঁর পরিবারও কোনো সহায়তা
পায়নি।
No comments:
Post a Comment