কেবল দেশে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে সমান
খ্যাতিমান ড. কামাল হোসেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে যেমন যুক্ত
ছিলেন, তেমনি নানা বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইনের উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন। গতকাল
রোববার রূপসী বাংলা হোটেলে একটি গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব
কথা বলেন। ড. কামাল বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে অনেক মামলা পরিচালনা করেছেন।
এমন উল্লেখযোগ্য মামলার আলোচিত অংশ নিয়ে সম্পাদিত ইন্টারন্যাশনাল ল
অ্যান্ড ডেভেলপিং কান্ট্রিজ—এসেজ ইন অনার অব কামাল হোসেন গ্রন্থটির মোড়ক
উন্মোচন করা হয়।

>>রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল ইন্টারন্যাশনাল ল অ্যান্ড ডেভেলপিং কান্ট্রিজ—এসেজ ইন অনার অব কামাল হোসেন বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন ও অধ্যাপক রেহমান সোবহান ছবি: ইউসুফ সা’দ
এদিন
ছিল ড. কামালের ৭৭তম জন্মদিন এবং একই সঙ্গে আইন পেশায় ৫৫ বছর পূর্তির দিন।
তাই পুরো অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রা পায়। কামাল হোসেনের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে
গ্রন্থটি তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান
সোবহান। তিনি বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মামলায় ড. কামাল শুধু আইনজীবী
হিসেবে যুক্তিই রাখতেন না, বরং সে যুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করতেন উপস্থিত
জুরিদেরও। তাঁর উপস্থাপিত যুক্তির অনেকগুলোই পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি-আইনকে সমৃদ্ধ করেছে। এমনকি প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ে মামলাতেও ড.
কামালের অবদান উল্লেখযোগ্য।
গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন বাংলাদেশের
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আইনের
অধ্যাপক ফিলিপ সেন্ডস ও নেদারল্যান্ডসের সিনেটর নিকো স্ক্রিভার। ড. কামালের
বর্ণাঢ্য আইন পেশার বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে গ্রন্থটির পরিচিতি তুলে ধরেন
শরীফ ভূঁইয়া। গ্রন্থটিতে মোট ১৪টি অনুচ্ছেদে ড. কামালের সাক্ষাৎকার,
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে নিও লিবারেল আইন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আইন
নিয়ে ড. কামালের মতামত ও অভিজ্ঞতা এবং তাঁর জীবনী তুলে ধরা হয়েছে।
কামাল হোসেন বলেন, এই দেশের সংবিধান রচনা করার সময় একটি সুন্দর ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সে স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। বরং ন্যায়বিচারের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বালনের ঘটনাও ঘটেছে। তিনি ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সুন্দর দেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে নবীন ও প্রবীণ প্রজন্মকে হাতে হাতে রেখে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পরস্পরকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সমুদ্র আইন, বিশেষ করে মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি আইনে ড. কামালের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেন ভারতের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আর সুদর্শন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইনসহায়তা কর্মসূচির পরিচালক ফস্টিনা পেরেইরা। এতে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
কামাল হোসেন বলেন, এই দেশের সংবিধান রচনা করার সময় একটি সুন্দর ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সে স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। বরং ন্যায়বিচারের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বালনের ঘটনাও ঘটেছে। তিনি ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সুন্দর দেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে নবীন ও প্রবীণ প্রজন্মকে হাতে হাতে রেখে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পরস্পরকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সমুদ্র আইন, বিশেষ করে মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি আইনে ড. কামালের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মন্তব্য করেন ভারতের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আর সুদর্শন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইনসহায়তা কর্মসূচির পরিচালক ফস্টিনা পেরেইরা। এতে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
No comments:
Post a Comment