‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ এই স্লোগান দিয়ে লংমার্চের আড়ালে অল্পদিনের
মধ্যেই সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনে মাঠে নামবে বিএনপি তথা ১৯ দলীয় জোট।
২২ ও ২৩ এপ্রিল তিস্তা অভিমুখী লংমার্চের সমাপনী জনসভাতেও এমন ইঙ্গিত
দিয়েছিলেন দলটির শীর্ষ নেতারা। বিএনপি চেয়ারপার্সনের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র
জানায়, নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ওই লংমার্চ কর্মসূচির মাধ্যমেই
চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেবেন খালেদা জিয়া।

তবে
অতীতের ব্যর্থতার পর্যালোচনা করে আন্দোলনে তাড়াহুড়ো করতে চাচ্ছেন না
খালেদা জিয়া। ঘর ও মাঠ গুছিয়ে নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। এ ব্যাপারে
বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, দেশজুড়ে বেড়ে যাওয়া হত্যা, গুম,
হামলা ও মামলার প্রতিবাদে এবং উত্তর অঞ্চলের তিন কোটি মানুষের পানির সমস্যা
সমাধানে রাজপথে নামবেন খালেদা। একই সঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি
সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবির সরকারকে বাধ্য করতেই এ কর্মসূচির ডাক দেবেন বিএনপি
প্রধান। ইতোমধ্যেই এ বিষয় নিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দল ও জোটের শীর্ষ
নেতাদের মধ্যে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রগুলো জানা
গেছে,চূড়ান্ত আন্দোলনে যাওয়ার আগে তৃণমূল থেকে পর্যায়ক্রমে কেন্দ্র পর্যন্ত
দলকে গুছিয়ে নিতে চান খালেদা। ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে তৃণমূল পুনর্গঠন।
ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি জেলা কমিটি। পুনর্গঠন হবে ছাত্রদল, যুবদল
মহিলাদল,কৃষকদল সহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনও। এ সব কমিটিতে স্থানীভাবে
জনপ্রিয়,সাহসী, সুস্বাস্থ্য ও সংগঠকদের প্রধান্য দেয়া হবে বলে সুত্র দাবি
করেছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমুল পর্যন্ত দলকে পুর্নগঠন করেই আন্দোলনের কর্মসূচি
ঘোষণা করবেন খালেদা জিয়া। অবশ্য সরকার সর্বশক্তি দিয়ে এ আন্দোলনে বাধা
দেবে এমনটাই ধারণা বিএনপির। তবে ওই হিসেব আমলে রেখেই ভবিষ্যতের আন্দোলনের
হিসাব কষছেন তারা। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকার বাধা দিলেও এবার খালেদা
নিজেই রাজপথে অবস্থান নেবেন। ঘোষণা করা হবে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির।
চলতে দেয়া হবে না গাড়ির চাকা, খুলতে দেয়া হবে না অফিস আদালতের দরজাও।
সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার
পরিকল্পনাও রয়েছে দলটির বিএনপি প্রধান সম্প্রতি ১৯ দলীয় জোটের নেতাদের
সঙ্গে বৈঠকে এমনই আভাস দিয়েছেন বলে জানান ১৯ দলের অন্যতম নেতা লেবার
পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। বিএনপির একটি সূত্র
বাংলানিউজের কাছে দাবি করে, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতই
আছে। অপেক্ষা শুধু খালেদা জিয়ার ডাকের। জানা গেছে, খালেদা জিয়াও নিজেও
চূড়ান্তভাবে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার পক্ষে কিন্তু সাম্প্রতিক সরকার বিরোধী
আন্দোলন হালে পানি না পাওয়ায় চূড়ান্ত আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার আগে তিনি
পা ফেলতে চাইছেন মেপে মেপে। সর্বশেষ পহেলা মে’তে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী
উদ্যানে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়েও কৌশলী ছিলেন খালেদা
জিয়া।
আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি ‘রেড অ্যালার্ট‘ জারি করেন খালেদা জিয়া। এমনকি দেশ বাঁচাতে নিজেই মাঠে নামবেন এমন ঘোষণাও দেন তিনি। অথচ আন্দোলনের সুস্পষ্ট কোনো রূপরেখা না দিয়েই ওই দিন বক্তব্য শেষ করেন খালেদা। সম্ভাব্য সেই লংমার্চ ও সরকার পতনের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন,দেশের উত্তরাঞ্চলের তিন কোটি মানুষের জীবন মরণ সমস্যা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শিগগিরই আবারও লংমার্চ করা হবে। আর এ লংমার্চের নেতৃত্ব দিবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে কবে নাগাদ সেই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি বলে জানান মেজর (অব.)হাফিজ।
দেশ ও দেশের মানুষ বাঁচাতে, হত্যা ও গুম ঠেকাতে এবং মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি ‘রেড অ্যালার্ট‘ জারি করেন খালেদা জিয়া। এমনকি দেশ বাঁচাতে নিজেই মাঠে নামবেন এমন ঘোষণাও দেন তিনি। অথচ আন্দোলনের সুস্পষ্ট কোনো রূপরেখা না দিয়েই ওই দিন বক্তব্য শেষ করেন খালেদা। সম্ভাব্য সেই লংমার্চ ও সরকার পতনের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন,দেশের উত্তরাঞ্চলের তিন কোটি মানুষের জীবন মরণ সমস্যা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে শিগগিরই আবারও লংমার্চ করা হবে। আর এ লংমার্চের নেতৃত্ব দিবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে কবে নাগাদ সেই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি বলে জানান মেজর (অব.)হাফিজ।
দেশ ও দেশের মানুষ বাঁচাতে, হত্যা ও গুম ঠেকাতে এবং মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
No comments:
Post a Comment