র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এখন
জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, যে বাহিনীর জনগণের
জীবন রক্ষা করার কথা ছিল, যে বাহিনীর জন্ম হয়েছিল জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, সেই
র্যাব আজ নিরীহ মানুষের জীবন ও সম্পদ হরণ করছে। তারা এখন জনগণের বিরুদ্ধে
অবস্থান নিয়েছে।

আজ
বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বর্ধিত
দায়িত্বশীল সভার সমাপনী অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা আলমগীর বলেন,
খালোদ জিয়া ৯ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। তিনি এদেশের মানুষের
আশা-ভরসার প্রতীক। তিনি এদেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কথা বলেন।
বাংলাদেশের হৃদয়ের কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ইসলাম ধর্মে
আঘাত করে এমন আইন এদেশের মানুষ মেনে নেবে না। আমাদের নিজস্ব বোধ, আদর্শ
আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সামনে জোর লড়াই
আছে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দলের নেতাকর্মীদের আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান
জানিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য লড়াই
করছি। ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য লড়াই করছি। এই সরকারের বিরুদ্ধে
আন্দোলন করছি ২০০৮ সাল থেকে। আন্দোলনের কৌশল আছে, সেভাবে এগুতে হবে। ১৯
দলের নেতাদের নিয়ে অতিসত্ত্বর তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। জামায়াত
গণতান্ত্রিকভাবে রাজনীতি করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আমরা
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাই। ফলে যারা কথা বলতে চান তা বলতে পারবেন। কিন্তু
তারা মানুষের অধিকার হরণ করছে। জামায়াতে ইসলাম গণতান্ত্রিক ভাবে রাজনীতি
করেছে। তাদের নীতি আছে, আদর্শ আছে। সাতক্ষীরায় আমার বন্ধুদের তুলে নেয়া হয়।
এরপর বলা হয় বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি
বলেন, তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা কার্যত একদলীয় শাসন ব্যবস্থা
চালু করেছেন। হেফাজতে ইসলাম তাদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছিল
শান্তিপূর্ণভাবে। তাদের ওপর নারকীয় তা-ব চালানো হয়েছিল রাতের আঁধারে। এর
আগে সভায় অংশ নেয়া ১৯ দলীয় জোটের নেতা মির্জা আলমগীরের কাছে দ্রুত সরকার
পতনের আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার আহ্বান জানান। খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ
মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাকের সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক
মুনতাসির আলী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শফিক উদ্দীন, কল্যাণ পার্টির
চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক), জাতীয়
পার্টির (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম আলম, এলডিপি মহাসচিব ডা. রেদোয়ান
আহমেদ, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা সৈয়দ মুজিবুর রহমান পেশোয়ারী,
কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এদিকে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও কালীগঞ্জ থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেনকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন মির্জা আলমগীর। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৫ই জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগের কুশাসন ও বিষাক্ত ছোবলের দংশনে সারা জাতি এখন ক্ষতবিক্ষত। আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদেরকে পুলিশ ও আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা ও গুরুতর আহত করছে। তাদের খুন-খারাবির অপশাসনে গোটা দেশ যেন শ্মশানে পরিণত হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, চারদিকে রক্তের হোলিখেলা চলছে। ক্ষমতাবিলাসে বিভোর হয়ে তারা সংবিধান স্বীকৃত মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মৌলনীতিগুলোকে মাটিচাপা দিয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ে এতটাই বিমূঢ় হয়ে পড়েছে যে, তারা বেঁচে থাকার গ্যারান্টি খুঁজে পাচ্ছে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সর্বক্ষেত্রে দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে এখন হিংস্রতা দিয়ে জনগণকে কাবু করতে চাচ্ছে সরকার। গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে গণবিচ্ছিন্ন আওয়ামী লীগ সরকার সেজন্য গুম, খুন, অপহরণসহ সন্ত্রাসী খেলায় মেতে উঠেছে। আর তারই নিরবচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের হিংস্র থাবায় বিপন্ন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে এখনই উদ্ধার করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। অবিলম্বে ইসমাইল হোসেনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও কালীগঞ্জ থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেনকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন মির্জা আলমগীর। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৫ই জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগের কুশাসন ও বিষাক্ত ছোবলের দংশনে সারা জাতি এখন ক্ষতবিক্ষত। আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদেরকে পুলিশ ও আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা ও গুরুতর আহত করছে। তাদের খুন-খারাবির অপশাসনে গোটা দেশ যেন শ্মশানে পরিণত হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, চারদিকে রক্তের হোলিখেলা চলছে। ক্ষমতাবিলাসে বিভোর হয়ে তারা সংবিধান স্বীকৃত মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রের মৌলনীতিগুলোকে মাটিচাপা দিয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ জানমালের নিরাপত্তা বিষয়ে এতটাই বিমূঢ় হয়ে পড়েছে যে, তারা বেঁচে থাকার গ্যারান্টি খুঁজে পাচ্ছে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সর্বক্ষেত্রে দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হয়ে এখন হিংস্রতা দিয়ে জনগণকে কাবু করতে চাচ্ছে সরকার। গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে গণবিচ্ছিন্ন আওয়ামী লীগ সরকার সেজন্য গুম, খুন, অপহরণসহ সন্ত্রাসী খেলায় মেতে উঠেছে। আর তারই নিরবচ্ছিন্ন অংশ হিসেবে ঝিনাইদহে ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, অবৈধ আওয়ামী সরকারের হিংস্র থাবায় বিপন্ন দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে এখনই উদ্ধার করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। অবিলম্বে ইসমাইল হোসেনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
No comments:
Post a Comment