বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় স্থানীয় দুই
আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যা ও গুম করার অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রাম
পৌরসভার মেয়র সুশান্ত কুমার শান্ত। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে তিনি একটি
সাধারণ ডায়েরিও করেছেন। অভিযুক্ত দুই নেতা হলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলার সদর
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও আওয়ামী লীগ নেতা আলী
হাসান।

মঙ্গলবার
সন্ধ্যায় নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী
ডায়েরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, দুপুরে মেয়র সুশান্ত কুমার
শান্তের এ সংক্রান্ত লিখিত একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডায়েরিটি নথিভূক্ত
করা হয়। ওসি আরও জানান, যেহেতু পৌর মেয়র একজন জনপ্রতিনিধি, তাই বিষয়টি
গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে
দায়েরকৃত অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করা হবে। এ বিষয়ে মেয়র সুশান্ত
কুমার শান্ত জানান, তার এলাকায় বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্প নিয়ে সদর ইউনিয়ন
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার সঙ্গে তার মতপার্থক্য রয়েছে। তিনি
আরও জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তার নিজের বর্গা জমির ধানের টাকা
নেওয়ার জন্য উপজেলার বিজয়ঘাট গ্রামের বেলাল হোসেনের কাছে যান তিনি। টাকা
নিয়ে ফেরার পথে আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা ও সঙ্গে থাকা আলী হাসান পথরোধ
করে তাদের ইচ্ছেমতো স্থানে বরেন্দ্র প্রকল্পটি করতে বলেন। এতে তিনি রাজি না
হলে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে হত্যা ও গুম করার হুমকি দেন তারা। তবে
নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা তার
বিরুদ্ধে আনীত হত্যা ও গুমের হুমকির বিষয়টি অস্বীকার করে বাংলানিউজকে
জানান, বরেন্দ্র প্রকল্প স্থাপন বিষয়ে পৌর মেয়রের সঙ্গে কথা কাটাকাটি
হয়েছে। কিন্তু তাকে মেরে ফেলা বা হত্যা এ ধরনের কোনো কথা হয়নি।
No comments:
Post a Comment