Monday, May 19, 2014

নূর হোসেনকে গুপ্তচর অস্বীকার বিএনপির

‘নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির বিশাল একটি অংশকে পৃষ্ঠপোষকতা করতো’ সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ ধরনের সংবাদে জেলা বিএনপি প্রতিবাদ করেনি। 
বরং এ অভিযোগ স্থায়ী হচ্ছিল ঠিক সে সময় এ অভিযোগে ঘি ঢাললেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সাহারা খাতুন ও শেখ সেলিম। সাহারা খাতুন সোমবার ও শেখ সেলিম শনিবার ঢাকায় পৃথক সমাবেশে নূর হোসেনকে বিএনপির গুপ্তচর দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপির লোক হয়ে আওয়ামী লীগে প্রবেশ করার অভিযোগ তুলেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতারা বলেছেন, নূর হোসেন বিএনপির গুপ্তচর নয়। বরং আওয়ামী লীগের সভাপতির উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের পাঠানো চিঠিতে নূর হোসেনকে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তাকে সিদ্ধিরগঞ্জে পৌর প্রশাসকের জন্য তদবিরের পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি করা হয়। সেই নূর হোসেন কখনোই বিএনপির হতে পারে না। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বাংলানিউজকে বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দায়িত্বহীন কথাবার্তার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। নূর হোসেনে কাদের পারপাস সার্ভ করতো এটা সবাই জানে। নূর হোসেনকে বাচাঁতেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের এমন কথাবার্তা মামলার তদন্ত কাজকে প্রভাবিত করবে। আমরা চাই দোষীদের শাস্তি হোক। মন্ত্রীরা নিজেদের গায়ের চামড়া বাঁচাতে এমন মন্তব্য করছেন। এমন কথাবার্তা না বলাই ভালো। যেখানে এইচ টি ইমাম নূর হোসেনকে পৌরসভার প্রশাসক করতে চিঠি দিয়ে ইন্টারপুলের তালিকা থেকে বাদ দিতে সুপারিশ করেন। সেখানে আমাদের ওপর দোষ চাপানোর বক্তব্য জনগণ মানবে না। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটি এম কামাল তার প্রতিক্রিয়ায় বাংলানিউজকে বলেন, নূর হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর যোগাযোগ ছিল না। তাকে বিএনপির লোক বা গুপ্তচর বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা নিজেদের দায় বিএনপির ওপর চাপাতে চাইছেন। কারণ এরইমধ্যে নূর হোসেনের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামসহ আরো অনেকের ঘনিষ্টতার খবর মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে।

No comments:

Post a Comment