স্বতন্ত্র সাংসদ হাজি মোহাম্মদ সেলিম
বলেছেন, ‘এখন রাজনীতিবিদরা ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারে না। রাজনীতি যারা
করে তারা এখন মহাবিপদে আছে। সারাক্ষণ সাংবাদিকরা আমাগো ওপর সার্চলাইট লাগায়
রাখছে।

আমি
যে কথাগুলান কইতাছি সেইটা কীভাবে কালকের পত্রিকায় আসে কে জানে?’আজ
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে
শিক্ষক-কর্মচারীদের দেওয়া এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজি সেলিম এ মন্তব্য
করেন। ঢাকা-৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত লালবাগ-চকবাজার-বংশাল-কোতোয়ালি থানার
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা এই
সংবর্ধনার আয়োজন করেন। প্রতি বছর শিক্ষকদের সংবর্ধনায় সিক্ত হতে চান উল্লেখ
করে হাজি সেলিম বলেন, ‘শিক্ষকরা আমাকে সংবর্ধনা দেওয়ায় আমি অনেক খুশি
হয়েছি। এ রকম সংবর্ধনা প্রতিবছর যেন করা হয়। এবার তো আমি কিছু দিতে পারলাম
না। পরের বার সংবর্ধনার সময় অনেক কিছু দেব। গান-বাজনার ব্যবস্থা করা হবে।
আমি খরচ দেব। এটা শীতকালে করলে ভালো হয়।’ স্কুল-কলেজের কমিটিতে যারা আসে
তারা খুব খারাপ, দাবি করে হাজি সেলিম বলেন, ‘কমিটিতে ঢুকেই তারা জিজ্ঞাসা
করে স্কুলের ফান্ডে কয় টাকা আছে, কোন ব্যাংকে আছে। এরপর শুরু হয় উন্নয়নের
কাজ। কাজ দেয় বউয়ের নামে নিজের কনস্ট্রাকশন ফার্মকে। আর এতে কিছু স্কুলের
শিক্ষকেরও হাত থাকে।’শিক্ষক নিয়োগের নামে স্কুল-কলেজের ডোনেশন নেওয়ারও কঠোর
সমালোচনা করেন হাজি সেলিম। তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষক নিয়োগে যদি দু-তিন লাখ
টাকা দিতে হয় তাহলে তার কাছ থেকে জাতি কী পাবে? সে ছেলে-মেয়েদের মানুষ
করবে কীভাবে?’ প্রাণঢালা সংবর্ধনা শিরোনামের এই অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের
বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকেরা হাজি সেলিমকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন
জানান। পরে শিক্ষক নেতারা হাজি সেলিমের কাছে তাঁদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া
তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
পাঠকের মন্তব্য (৮)
পাঠকের মন্তব্য (৮)
No comments:
Post a Comment