Tuesday, May 6, 2014

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে: আমু

নারায়ণগঞ্জের খুন-গুমের ঘটনায় বিএনপির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টারের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করে ‘শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদ’। আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বিএনপির নেতারা যখন খুন-গুমের মাধ্যমে সরকার পতনের আন্দোলনের কথা বলেন, এর পর যখন নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় গুম-খুন হয়, তখন সেখানে তাঁদের সম্পৃক্ততা থাকা অমূলক নয়।’ 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের এই হত্যাকাণ্ডে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেন ভবিষ্যতে কেউ এমনটি ঘটাতে না পারে। বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় আর বেশি কিছু বললাম না।’ তিনি বলেন, ২০০১-এর নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপি আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন করেছে। এরপর খুন-গুমের সমালোচনা আর মানায় না। বিএনপি দেশকে সংবিধানশূন্য করতে চায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের আগে যে আন্দোলন করেছে, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করা। এখন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানসহ দলটির নেতারা ইতিহাস বিকৃতির নতুন তথ্য দিয়ে আবারও সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করতে চাইছেন।’ সব বাধা অতিক্রম করে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। আহসানউল্লাহ মাস্টারের ছেলে ও সাংসদ জাহিদ আহসান বলেন, ‘আগামীকাল আমার বাবার দশম মৃত্যুবার্ষিকী। কিন্তু যে ২২ জনের ফাঁসির আদেশ হয়েছে, তা এখনো কার্যকর হয়নি। অনেক আসামি বিদেশে পালিয়ে আছে। অনেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাই পালিয়ে থাকাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে।’

No comments:

Post a Comment