Wednesday, August 12, 2015

মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই আসামিসহ আহত ৬

গাজীপুরে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের পর পুলিশের
প্রিজন ভ্যান। ছবি: মাসুদ রানা, প্রথম আলো, গাজীপুর
গাজীপুরে পুলিশের প্রিজন ভ্যান ও যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার দুই আসামি ও পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল সোয়া আটটার দিকে সালনা ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ২ নম্বর ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নাওজোড় মহাসড়ক পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাওছার আহাম্মেদ বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি আমজাদ হোসেন (৮০) ও রিয়াজ উদ্দিন ফকিরকে (৬৫) ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা থেকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকায় নিয়ে আসার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আমজাদ ও রিয়াজকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফুলবাড়িয়া থানার পুলিশের সূত্র বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুপুরে উপজেলার কেশরগঞ্জ ও ভালুকজান গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সড়ক দুর্ঘটনার ব্যাপারে পুলিশের ভাষ্য, প্রিজন ভ্যানটি সালনা ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ২ নম্বর ফটকের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রিজন ভ্যানে থাকা ওই দুই আসামি, প্রিজন ভ্যানের চালক মো. মেহেদি, কনস্টেবল মো. ওয়াসিম, হাবিলদার নূর উদ্দিন ও নায়েক মুস্তাফিজ আহত হন।
বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাসের চালককে
আটক করা যায়নি। ছবি: মাসুদ রানা, প্রথম আলো, গাজীপুর
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে পাঠায়।  টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মাসুদ রানা বলেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশের নায়েক মোস্তাফিজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি আমজাদ হোসেনকেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নায়েক মোস্তাফিজ ও আসামি আমজাদ হোসেন মাথায় আঘাত পেয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শক মোজাম্মেল হক এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় বাসের কেউ হতাহত হয়নি।
নাওজোড় মহাসড়ক পুলিশে উপপরিদর্শক (এসআই) বাহার আলম বলেন, প্রিজন ভ্যান ও বাসটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বাসের চালককে আটক করা যায়নি।

No comments:

Post a Comment