ধর্ষণের
ঘটনায় নারীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিচার পাচ্ছেন না। মামলার
দীর্ঘসূত্রতাকে এ জন্য মূলত দায়ী করেছেন বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার
আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা। রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) আয়োজিত মতবিনিময় সভায়
এ অভিমত উঠে আসে। অনুষ্ঠানে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ভৃন্দা
গ্রোভার বলেন, দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের ঘটনার পর দেশটির সরকার সাবেক
বিচারপতি জে এস ভার্মাকে প্রধান করে একটি কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের
সুপারিশগুলোর বাস্তবায়ন হচ্ছে এখন। নারীরা আগে ধর্ষণের শিকার হয়ে চুপ করে
থাকতেন। এখন বাইরে বেরিয়ে আসছেন। শ্রীলঙ্কায় বছরে দুই হাজারের মতো
ধর্ষণের মামলা হয় বলে জানান শ্রীলঙ্কার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর এথনিক
স্টাডিজের গবেষণা সহযোগী চুলানি কোডিকারা। তিনি বলেন, কিন্তু রায় হয় একটি
বা দুটি মামলার। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুও
বিচারে দীর্ঘসূত্রতার প্রসঙ্গ তোলেন। তিন দেশের আলোচকেরা আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা করেন। চুলানি কোডিকারা জানান,
শ্রীলঙ্কায় সম্প্রতি পুলিশি হেফাজতে তিন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
ঢাকায় বাংলা বর্ষবরণের দিন যৌন হয়রানির ঘটনা নিয়ে পুলিশের অবস্থানের
সমালোচনা করেন মালেকা বানু। ব্লাস্টের ট্রাস্টি ফজলুল হক এ ধরনের আলোচনায়
পুরুষদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পরামর্শ দেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment