![]() |
| মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম আলোতে আগুন দিচ্ছে ছাত্রলীগ |
‘মাগুরায়
খুনোখুনির পেছনে শিখর-বীরেনের দ্বন্দ্ব’—শিরোনামের সংবাদ প্রকাশের জের ধরে
মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম আলোতে আগুন দিয়েছে ছাত্রলীগ। সোমবার প্রথম আলোর
প্রথম পৃষ্ঠায় দুই নেতার দ্বন্দ্বের সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল। ওই
প্রতিবেদনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার প্রধানমন্ত্রীর একান্ত
সচিব (এপিএস-২) সাইফুজ্জামান শিখরের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদে
আজ মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রলীগ প্রতিবাদ মিছিল এবং পথসভা করে। মিছিল থেকে
বীরেন শিকদারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান
প্রধান সড়ক ঘুরে তিন রাস্তার মোড়ে এসে শেষ হয়। সেখানে ছাত্রলীগের
নেতা-কর্মীরা প্রথম আলোর কয়েকটি কপিতে আগুন দেন। এ সময় মহম্মদপুর উপজেলা
ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. ঈদুল শেখ, যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুজ্জামান ও উপজেলা
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শামছুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বীরেন শিকদারকে অপরাজনীতি বন্ধ করতে বলেন। তাঁরা শিখরের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা বলে দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা প্রথম আলোকে উদ্দেশ করেও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায় ঈদুল শেখ প্রতিবাদ মিছিল ও প্রথম আলো পত্রিকায় আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ের কারিগরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ভূঁইয়া ও ছাত্রলীগের কর্মী আজিবর শেখ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মোমিন ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ছাড়া আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাজমা খাতুন ও তাঁর পেটের শিশু গুলিবিদ্ধ হয়।
বক্তারা বীরেন শিকদারকে অপরাজনীতি বন্ধ করতে বলেন। তাঁরা শিখরের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা বলে দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা প্রথম আলোকে উদ্দেশ করেও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন। মহম্মদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায় ঈদুল শেখ প্রতিবাদ মিছিল ও প্রথম আলো পত্রিকায় আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ের কারিগরপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ভূঁইয়া ও ছাত্রলীগের কর্মী আজিবর শেখ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মোমিন ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ছাড়া আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাজমা খাতুন ও তাঁর পেটের শিশু গুলিবিদ্ধ হয়।

No comments:
Post a Comment