![]() |
| বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ অন্যরকমই লাগল আমলার। ছবি: শামসুল হক, প্রথম আলো |
২০০৪
সালের ডিসেম্বর অভিষেকের পর খেলেছেন ৮৪ টেস্ট। ১১ বছরের ক্যারিয়ারে কত
সিরিজই তো খেলেছেন, তবে এমন ‘আজব’ সিরিজ নাকি আগে কখনো খেলেননি হাশিম
আমলা! বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ড্র হওয়ার
পর এমনটাই জানালেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।
বর্ষা মৌসুমে সিরিজ আয়োজন। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টি-বাগড়া থাকবে। কদিন আগে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, এ সময়ে আয়োজন না করা গেলে হোম সিরিজটা খেলতে হতো সেই ২০২৩ সালে। বৃষ্টির ফাঁক গলে অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ ঠিকঠাক আয়োজন করা গেছে। কিন্তু বিপত্তি বাধল টেস্ট সিরিজে। চট্টগ্রাম টেস্টের শেষ দুদিন থেকে পিছু নিল বৃষ্টি। শেষতক তা আর থামলই না। মাঝে যাওবা বৃষ্টি যাই যাই করছিল, হুট করে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ এসে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে এল অঝোর বর্ষণ।
ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টেস্ট সিরিজে দারুণ কিছুর প্রত্যাশা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। চাওয়ার সঙ্গে পাওয়ার অমিলে দারুণ হতাশ আমলা, ‘পুরো তিন দিন বৃষ্টি হলে কিছুই করার থাকে না। চট্টগ্রামে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দেখে অবাকই হয়েছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকায় যদি এমন বৃষ্টি হতো, পুরো মাঠে পানি থাকত। যেহেতু বাংলাদেশে এসেছিলাম সিরিজ জিততে ও ভালো ক্রিকেট খেলার লক্ষ্যে, সে অর্থে অবশ্যই এটা হতাশার। অবশ্য আবহাওয়ার ওপর কারও হাত নেই। অপূর্ণতা নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। তবে ঠিকই আছে। কারণ, এ ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই।’
দুই টেস্ট সিরিজের মোট ১০ দিনের ছয় দিনই দখলে ছিল বৃষ্টির। একটি টেস্ট সিরিজের ৬০ শতাংশ সময় চলে যাওয়ার এমন উদাহরণ জানা নেই আমলার। এ সিরিজকে ‘আজব’ বললেন তিনি। তাঁর কথা, ‘আগেই বললাম, দক্ষিণ আফ্রিকায় হলে গতকালই খেলা শেষ হয়ে যেত। পুরো মাঠই খেলার উপযোগী ছিল না। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো ছিল। এখন (সংবাদ সম্মেলনের সময়) বৃষ্টি না হলেও আউটফিল্ড ভেজা থাকায় খেলোয়াড়দের জন্য সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। যত টেস্ট সিরিজ এ পর্যন্ত খেলেছি, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে অদ্ভুত। যত সিরিজ খেলেছি, মনে হয় না সেগুলোর একটিও ১০ দিনের ছয় দিনই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। সে অর্থে এ সিরিজটা আলাদা। অবশ্য এ ভেজা মাঠে আমাদের বেশি কিছু করার ছিল না।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে আগেও প্রশংসা করেছেন আমলা। করলেন এবারও। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দারুণ এক সিরিজ হবে বলেই প্রত্যাশা প্রোটিয়া অধিনায়কের, ‘গত দুই বছরে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। অন্য সংস্করণের তুলনায় তাদের ওয়ানডে রেকর্ড অনেক ভালো। সন্দেহ নেই, একটি দল যখন ওয়ানডেতে ভালো খেলে, স্বাভাবিকভাবে টেস্টেও ভালো করতে শুরু করে। সামনে কয়েক মাস তাদের খেলা নেই। এর পর বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। মনে করি আরও বেশি টেস্ট খেললে এখানেও তারা ভালো করবে। অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া অনেক বড় দল। দারুণ একটা সিরিজই হবে আশা করি।’
বর্ষা মৌসুমে সিরিজ আয়োজন। স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টি-বাগড়া থাকবে। কদিন আগে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, এ সময়ে আয়োজন না করা গেলে হোম সিরিজটা খেলতে হতো সেই ২০২৩ সালে। বৃষ্টির ফাঁক গলে অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ ঠিকঠাক আয়োজন করা গেছে। কিন্তু বিপত্তি বাধল টেস্ট সিরিজে। চট্টগ্রাম টেস্টের শেষ দুদিন থেকে পিছু নিল বৃষ্টি। শেষতক তা আর থামলই না। মাঝে যাওবা বৃষ্টি যাই যাই করছিল, হুট করে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ এসে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে এল অঝোর বর্ষণ।
ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টেস্ট সিরিজে দারুণ কিছুর প্রত্যাশা ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। চাওয়ার সঙ্গে পাওয়ার অমিলে দারুণ হতাশ আমলা, ‘পুরো তিন দিন বৃষ্টি হলে কিছুই করার থাকে না। চট্টগ্রামে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দেখে অবাকই হয়েছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকায় যদি এমন বৃষ্টি হতো, পুরো মাঠে পানি থাকত। যেহেতু বাংলাদেশে এসেছিলাম সিরিজ জিততে ও ভালো ক্রিকেট খেলার লক্ষ্যে, সে অর্থে অবশ্যই এটা হতাশার। অবশ্য আবহাওয়ার ওপর কারও হাত নেই। অপূর্ণতা নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। তবে ঠিকই আছে। কারণ, এ ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই।’
দুই টেস্ট সিরিজের মোট ১০ দিনের ছয় দিনই দখলে ছিল বৃষ্টির। একটি টেস্ট সিরিজের ৬০ শতাংশ সময় চলে যাওয়ার এমন উদাহরণ জানা নেই আমলার। এ সিরিজকে ‘আজব’ বললেন তিনি। তাঁর কথা, ‘আগেই বললাম, দক্ষিণ আফ্রিকায় হলে গতকালই খেলা শেষ হয়ে যেত। পুরো মাঠই খেলার উপযোগী ছিল না। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো ছিল। এখন (সংবাদ সম্মেলনের সময়) বৃষ্টি না হলেও আউটফিল্ড ভেজা থাকায় খেলোয়াড়দের জন্য সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। যত টেস্ট সিরিজ এ পর্যন্ত খেলেছি, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে অদ্ভুত। যত সিরিজ খেলেছি, মনে হয় না সেগুলোর একটিও ১০ দিনের ছয় দিনই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। সে অর্থে এ সিরিজটা আলাদা। অবশ্য এ ভেজা মাঠে আমাদের বেশি কিছু করার ছিল না।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে আগেও প্রশংসা করেছেন আমলা। করলেন এবারও। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দারুণ এক সিরিজ হবে বলেই প্রত্যাশা প্রোটিয়া অধিনায়কের, ‘গত দুই বছরে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। অন্য সংস্করণের তুলনায় তাদের ওয়ানডে রেকর্ড অনেক ভালো। সন্দেহ নেই, একটি দল যখন ওয়ানডেতে ভালো খেলে, স্বাভাবিকভাবে টেস্টেও ভালো করতে শুরু করে। সামনে কয়েক মাস তাদের খেলা নেই। এর পর বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। মনে করি আরও বেশি টেস্ট খেললে এখানেও তারা ভালো করবে। অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া অনেক বড় দল। দারুণ একটা সিরিজই হবে আশা করি।’

No comments:
Post a Comment