Wednesday, August 26, 2015

কক্সবাজারের মহেশখালীতে আনন্দ স্কুলের টাকা হরিলুট

টিসি আব্দুল লতিফের বেপরোয় কাজের সহযোগী ইউইও
নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে আনন্দ স্কুলের টাকা নিয়ে হরিলুট চলছেই। দেখেও না দেখার ভান করছে সংশিøষ্টরা এমন অভিযোগ আসছে প্রতিনিয়ত। টিসি আব্দুল লতিফের বেপরোয় কাজের সহযোগী ইউইও বলে অনেকে বলে থাকলেও এ ব্যাপারে তার কোন সন্তোষজনক নয় বলে জানান তারা। তারই ধারাবাহিকতায় মাতারবাড়ির আনন্দ স্কুলের উপকরনের প্রায় অর্ধকোটি টাকা টিসি আব্দুল লতিফ ও তার নিযুক্ত দালালেরা পকেটেস্থ করেছে তা নিয়ে শিÿার্থী ও তাদের অভিবাবকের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তথ্য নিয়ে জানাগেছে, মাতারবাড়ি ইউনিয়নে ৫৭ টি শিÿা কেন্দ্রের জন্য সরকারী ভাবে ছাত্রছাত্রীদের জন্য পোশাক, শিÿা কেন্দ্রের ভাড়া সহ যাবতীয় কার্যক্রমের জন্য একটি মোটা অংকের টাকা বরাদ্ধ থাকলে ও তা কোন শিÿার্থী ও তাদের অভিবাবহদের না জানিয়ে টিসি আব্দুল লতিফ ও তার নিযুক্ত দু’ মুখোশধারী মহিলা মেম্বার কেন্দ্র শিÿকদের সাথে গোপনে আতাঁত করে লুটপাট করে খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ আগষ্ট সরেজমিনে সংবাদকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন শিÿা অফিসের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখতে পায় টিসি আব্দুল লতিফ কেন্দ্র শিÿকদের নিয়ে মনগড়া কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিÿকের স্বাÿর জাল করে রেজ্যুলেশন তৈরী করে টাকা উত্তোলন করেন। আরো জানাগেছে, টিসি আব্দুল লতিফ আনন্দস্কুলের উর্ধ্বতন কর্তৃপÿের অজান্তে সমসম্প্রতি মাতারবাড়ি গিয়ে শিÿক, শিÿার্থীদের অভিবাবকের কাছ থেকে টাকা চাইতে গেলে উত্তেজিত জনতা ও মহিলারা ঝাড়– পেটা ও গনপিটুনি দিয়েছে এবং তার সাথে থাকা উপবৃত্তির টাকার মেইন কপি ও ডি আর ফরমের আসল কপি কেড়ে নিয়েছে অতদসত্বে ও টিসি লতিফ ঘটনাটি কারো প্রকাশ না করে গোপনে কম্পিউটার থেকে নকল কপি বের করে নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৬ আগষ্ট উপকরনের টাকা শিÿকেরা ব্যাংক থেকে উত্তোলনকালীন সময় টিসি নিজেই সার্বÿনিক ব্যাংকে অবস্থান করে শিÿকদের সাথে যৌথ মিলে মুখোশধারী ২ মহিলা মেম্বার এবং তাদের গংয়েরা ভাগভাটোয়ার করে নিয়েছে অথচ শিÿার্থীদের অভিবাবক, আনন্দস্কুলের সাথে সংশিøষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপÿ, ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্থরের লোকদের না জানিয়ে টিসি আব্দুল লতিফ ও মুখোশধারী গংয়েরা ভাগভাটোয়ারা করে খাচ্ছে। এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার গোলাম মো¯Íফা’র কাছ থেকে আনন্দস্কুলের টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে জিজ্ঞাস করা হলে সে সরাসরি নাটকিয় ভাবে অস্বীকার করে বলেন আনন্দস্কুলের টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমি জানিনা। অথচ তার ব্যাংক থেকে লÿ লÿ টাকা শিÿার্থীদের অভিবাবকদের না জানিয়ে শিÿকেরা তুলে ভাগভাটোয়ারা করে খাচ্ছে। এ ব্যাপারে টিসি আব্দুল লতিফের কাছ থেকে মাতারবাড়িতে উত্তেজিত জনতার গনপিটুনি, মুল কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার বিষয়টি জিজ্ঞাস করা হলে লতিফ বিষয়টি এড়িয়ে চলে যান এবং টিসি লতিফ সহ তার দালালেরা টাকা ভাগভাটোয়ার কথা অস্বীকার করেন। অথচ শিÿকদেরকে গোপনে সোনালী ব্যাংকে চলে আসার জন্য তার নাম্বার থেকে ম্যাসেজ ও দিয়েছে। সচেতন মহল গনমাধ্যমের মাধ্যমে রক্স প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্তৃপÿ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কাছে জানতে চান কেন্দ্রের জন্য বরাদ্ধ ও উত্তোলনকৃত প্রায় অর্ধকোটি কোথায় চলে গেছে আদৌ কি শিÿার্থীরা পোশাক ও অন্যান্য জিনিস পত্র পেয়েছে কিনা এমন প্রশ্ন সাধারন মানুষের মাঝে। মাতারবাড়ি মিয়াজি পাড়ার আব্দুল মালেক, রাজঘাটের শফি আলম ও মাইজপাড়ার  কলিম বলেন মাতারবাড়ীর আনন্দ স্কুলের টাকা নিয়ে অনেক হয়েছে আর না এবার আনন্দস্কুলের সকল অভিভাবক এক হয়ে কঠোর কর্মসুচী দেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে।  

No comments:

Post a Comment