সুশীল সমাজের ৫৭ ধারা বন্ধের জন্য জনমত গড়ে উঠছে। এই কাজটি করছে
বাংলাদেশে সকল মিডিয়া ও সুশিল সমাজ। ১০১৩ সালের ১১ আগষ্ট এই ধারা প্রথমে
প্রয়োগ করা হয়েছিল দেশের শীর্ষ মানবাধিকার কর্মী আদিলুর
রহমান খানের উপর সেই সময় দেশে বিদেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠে ছিল
এ কারণে মানবাধিকার কর্মীরা শুরু থেকেই তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬’র ৫৭-ধারাটির তীব্র সমালোচনা এবং বিরোধিতা করে
এলেও সম্প্রতি এ ধারায় সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের গ্রেফতারের পর তা বাতিলের
দাবি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ
বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ
পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার
দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়,
রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা
করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে
উস্কানি দেয়া হয়, তাহলে তার এ কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে। এর দায়ে অনধিক চৌদ্দ
বছর এবং ন্যূনতম সাত বছর কারাদন্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ড-
দন্ডিত হবেন’। ৫৭-ধারায় বলা আছে, ‘মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ’-সংক্রান্ত। এতে বলা আছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন
ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও
অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট
বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার
অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ
হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যের মাধ্যমে
কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়া হয়, তাহলে তার এ কাজ অপরাধ
বলে গণ্য হবে। এর দায়ে অনধিক চৌদ্দ বছর এবং ন্যূনতম সাত বছর কারাদন্ড এবং
অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ড- দন্ডিত হবেন’।
এ কারণে মানবাধিকার কর্মীরা শুরু থেকেই তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬’র ৫৭-ধারাটির তীব্র সমালোচনা এবং বিরোধিতা করে
এলেও সম্প্রতি এ ধারায় সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের গ্রেফতারের পর তা বাতিলের
দাবি নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ
বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ
পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার
দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়,
রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা
করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে
উস্কানি দেয়া হয়, তাহলে তার এ কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে। এর দায়ে অনধিক চৌদ্দ
বছর এবং ন্যূনতম সাত বছর কারাদন্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ড-
দন্ডিত হবেন’। ৫৭-ধারায় বলা আছে, ‘মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ’-সংক্রান্ত। এতে বলা আছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন
ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও
অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট
বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার
অবনতি ঘটে বা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ
হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যের মাধ্যমে
কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়া হয়, তাহলে তার এ কাজ অপরাধ
বলে গণ্য হবে। এর দায়ে অনধিক চৌদ্দ বছর এবং ন্যূনতম সাত বছর কারাদন্ড এবং
অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ড- দন্ডিত হবেন’।
No comments:
Post a Comment