তুরস্কের
উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা। দেশটির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত হারসেইন মাফতুগুলু আজ বুধবার
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ
আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা এসব সুবিধার সুফল পেতে পারে।’
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসের।
দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তুরস্কের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে জাহাজ নির্মাণ, ভারী যন্ত্রপাতি নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, বস্ত্র, তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য, পেট্রো কেমিক্যাল ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে পারে।
তিনি অভিন্ন ইতিহাস, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে দু’দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দু’দেশের মধ্যে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক সহযোগিতায়ও সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক খাতে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ডি-৮ গ্রুপকে আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের শুরুতে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০ তম শাহাদত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
এ প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৬৯ সালের ২৩ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু খেতাবে ভূষিত করার দিন তার (রাষ্ট্রদূত) জন্ম হয়েছিল।
তিনি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে এই বন্ধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও সুসংহত হবে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে তুরস্কের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার দেশ সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে তুরস্ককে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা এসব সুবিধার সুফল পেতে পারে।’
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসের।
দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তুরস্কের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে জাহাজ নির্মাণ, ভারী যন্ত্রপাতি নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, বস্ত্র, তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য, পেট্রো কেমিক্যাল ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে পারে।
তিনি অভিন্ন ইতিহাস, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে দু’দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দু’দেশের মধ্যে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক সহযোগিতায়ও সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক খাতে তুরস্কের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ডি-৮ গ্রুপকে আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকের শুরুতে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০ তম শাহাদত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
এ প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৬৯ সালের ২৩ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু খেতাবে ভূষিত করার দিন তার (রাষ্ট্রদূত) জন্ম হয়েছিল।
তিনি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে এই বন্ধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরও সুসংহত হবে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে তুরস্কের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার দেশ সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে তুরস্ককে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

No comments:
Post a Comment