![]() |
| চৌধুরী হাসান মাহমুদ, জোবাইরা নার্গিস খান, নিছার উদ্দিন আহমেদ |
চট্টগ্রাম
সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র পদে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত তিন
কাউন্সিলর জয়ী হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বেলা পৌনে
একটা পর্যন্ত আন্দরকিল্লায় নগর ভবনের কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে ভোট
গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে ৩৯ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। ৩১ ও ৩০ ভোট পেয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জোবাইরা নার্গিস খান ও ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলীর কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ। ৫৫ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৫৪ জন ভোট দেন। ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৌফিক আহমদ চৌধুরী হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। প্রত্যেক কাউন্সিলর তিনটি করে ভোট দেন।
প্যানেল মেয়র নির্বাচন পরিচালনা করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তাঁকে সহযোগিতা করেন করপোরেশনের সচিব রশিদ আহমদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন।
৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম সাধারণ সভায় সাধারণ ওয়ার্ড থেকে সাতজন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে পাঁচজন কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে গতকাল নির্বাচনের আগে সাধারণ ওয়ার্ডের দুই প্রার্থী জহর লাল হাজারী ও মোহাম্মদ ইসমাইল তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পাঁচজনই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নবনির্বাচিত প্যানেল মেয়র-১ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, ‘মেয়রের নির্দেশনায় চট্টগ্রামবাসী কল্যাণে কাজ করে যাব।’
ফল ঘোষণার পর সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রত্যেককে তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। নির্বাচিত কাউন্সিলররা নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে নাগরিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত করা যাবে।
নির্বাচন নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের বিএনপি-সমর্থিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে জোবাইরা আপা ওনার বাসায় দাওয়াত দিয়েছিলেন। আমরা ২২-২৪ জন কাউন্সিলর গিয়েছিলাম। রাতের খাবার খেয়েছি। দাওয়াতের শেষের দিকে মেয়র মহোদয় এসেছিলেন। তবে সেখানে প্যানেল মেয়র নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’
জোবাইরা নার্গিস খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি। আমার স্বামী-শ্বশুরও রাজনীতি করতেন। সে সুবাদে মেয়র আ জ ম নাছির প্রায় সময় আমার বাসায় আসেন। মঙ্গলবার রাতেও তিনি চার-পাঁচজন কাউন্সিলর নিয়ে এসেছিলেন।’
নির্বাচনে ৩৯ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। ৩১ ও ৩০ ভোট পেয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জোবাইরা নার্গিস খান ও ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলীর কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ। ৫৫ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৫৪ জন ভোট দেন। ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৌফিক আহমদ চৌধুরী হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। প্রত্যেক কাউন্সিলর তিনটি করে ভোট দেন।
প্যানেল মেয়র নির্বাচন পরিচালনা করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তাঁকে সহযোগিতা করেন করপোরেশনের সচিব রশিদ আহমদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া শিরিন, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন।
৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম সাধারণ সভায় সাধারণ ওয়ার্ড থেকে সাতজন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে পাঁচজন কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে গতকাল নির্বাচনের আগে সাধারণ ওয়ার্ডের দুই প্রার্থী জহর লাল হাজারী ও মোহাম্মদ ইসমাইল তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পাঁচজনই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নবনির্বাচিত প্যানেল মেয়র-১ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, ‘মেয়রের নির্দেশনায় চট্টগ্রামবাসী কল্যাণে কাজ করে যাব।’
ফল ঘোষণার পর সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রত্যেককে তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। নির্বাচিত কাউন্সিলররা নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে নাগরিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত করা যাবে।
নির্বাচন নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডের বিএনপি-সমর্থিত কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে জোবাইরা আপা ওনার বাসায় দাওয়াত দিয়েছিলেন। আমরা ২২-২৪ জন কাউন্সিলর গিয়েছিলাম। রাতের খাবার খেয়েছি। দাওয়াতের শেষের দিকে মেয়র মহোদয় এসেছিলেন। তবে সেখানে প্যানেল মেয়র নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’
জোবাইরা নার্গিস খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি। আমার স্বামী-শ্বশুরও রাজনীতি করতেন। সে সুবাদে মেয়র আ জ ম নাছির প্রায় সময় আমার বাসায় আসেন। মঙ্গলবার রাতেও তিনি চার-পাঁচজন কাউন্সিলর নিয়ে এসেছিলেন।’

No comments:
Post a Comment